× Banner
সর্বশেষ
আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত আদালতে রাষ্ট্রপ্রতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধে

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে ইয়েমেনে প্রায় দেড় ধরে চলা গৃহযুদ্ধে। এ সংক্রান্ত একটি গোপন প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত ৬ মে এ বিষয়ে একটি যৌথ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সংঘর্ষের কারণে প্রায় সাত বিলিয়ন ডলারের অবকাঠামোগত ক্ষতি (এখনো এটি আশিংক ও অসম্পূর্ণ ক্ষতির হিসাব) এবং উৎপাদন ও সেবাখাতে ৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে।’

ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হাত থেকে ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে দেড় বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদির সেনারা। শুধু তাই হাদির সেনাদের জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদার বিরুদ্ধেও লড়াই করতে হচ্ছে। গত ১৬ মাসে ইয়েমেনে এই গৃহযুদ্ধে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি লোক নিহত হয়েছে। এছাড়া গৃহহীন হয়েছে ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ। সর্বশেষ বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দেশটিতে ২০১৩ সালে জিডিপি ছিল ১ হাজার ৯৭ মার্কিন ডলার।

দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ২০ টি প্রশাসনিক অঞ্চলের ১ হাজার ৬৭১টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৮৭টি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া ৫৪৪টি স্কুল গৃহহীনদের আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম থেকে ৩ হাজার ৬৫২টি টিকাদান কেন্দ্রের মধ্যে ৯০০টি এখন আর কোনো কাজ করছে না। এর ফলে ১৫ বছরের নিচে প্রায় ২৬ লাখ শিশু স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে।

ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজের গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়েছে। শহরের অর্ধেক হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অথবা এসব হাসপাতালে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থাই নেই।

প্রতিবেদনে কেবল সানা, এডেন, তাইজ ও জানজিবার শহরের আবাসিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে। তবে ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে এসব শহরের ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তবে গৃহযুদ্ধের প্রথম সাত মাসেই এসব শহরে প্র্রায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..