× Banner
সর্বশেষ
৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে হামলা: নাবিক নিহত, ইউক্রেনকে দায়ী করে কড়া প্রতিক্রিয়া তেহরানের দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র আক্রমণ ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, গুলশানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত শরীয়তপুরের পালং ইউনিয়নবাসী

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৬

সৈকত দত্ত, শরীয়তপুর থেকে: শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নবাসী স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিন তলা বিশিষ্ট উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন থাকলেও বিগত এক বছর যাবত কোন চিকিৎসা সেবা নেই, নেই ঔষধ। একজন আয়া এখন পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তা। এ ভাবেই স্বাস্থ্য সেবা বিহীন দাড়িয়ে আছে উপ-স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি।

পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় এক বছর যাবত পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন চিকিৎসক নেই। মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহ আলমকে অন্যত্র বদলি করে দেয়ার পর থেকে উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারও চলে গেছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য বিভাগে একজন এমএলএসএস ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ও একজন আয়া কর্মরত আছে কাগজ কলমে। বাস্তব রূপ দেখা গেল উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে পালং ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় প্রধান ফটকসহ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দরজা বন্ধ। আশপাশ ঘুরে কোন লোকজনের সাড়া নাই। কিছুক্ষন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে দাড়িয়ে থেকে দেখা হয় পালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেন মাদবর ও চৌকিদার আলী আকবরের সাথে। তাদের সাথে কথা বলতেই বেরিয়ে আসে ঝোলা থেকে সাপ।

তখন আনোয়ার হোসেন মাদবর জানায়, বিকাশ বাবু থাকতে চিকিৎসা ও ঔষুধ পেতাম। বিকাশ বাবু গেছে প্রায় ১ বছর। এর মধ্যে কোন চিকিৎসা ও ঔষধতো দূরের কথা চিকিৎসের দেখাও পায়নি তারা। এলাকাবাসী বিনা চিকিৎসায় ধুকছে। এ হাসপাতাল সাবেক এমপি কালু সরদারের সাথে যুদ্ধ করে তাদের পেতে হয়েছে। এখন হাসপাতালের কোন অস্তিত্ব নাই।

চৌকিদার আলী আকবর বলেন, এখন শুধু ভবন পাহাড়াদার ও ঝাড়–দারের দায়িত্ব পালন করে একটা মহিলা। সে না থাকলে এ ভবনে পশু পাখি থাকতো। আমাদের দালান দিয়ে কি হবে? আমরা চিকিৎসা ও ঔষধ চাই। আমাদের এলাকার মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে। এ সময় তিনি আয়া সামসুন্নাহারকে ডেকে আনে।

আয়া সামসুন্নাহার বলে, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা অসুস্থ্য তাই ছুটিতে আছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পিওন আসে নাই। সাকমো তাহমিনা সপ্তাহে রবি ও বুধবার এখানে বসতো ডাঃ শাহআলম যখন আসতো তখন থেকে সাকমো তাহমিনা আর আসে না। এখন কেউই আসে না। আমি শুধু ঝাড়– দেই আর ভবনে থাকি। ডাক্তার ও ওষুধ না পেয়ে এলাকার লোকজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। আমি চুপ থাকি। আমার কি করার।

এ বিষয়ে জানার জন্য জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মশিউর রহমান টগর এর সাথে কথা বলে কোন নির্ভরযোগ্য উত্তর পাওয়া যায় নাই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..