× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক

নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রস্তুতি, ধাপে ধাপে বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
নবম জাতীয় পে স্কেল

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন পে স্কেল কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী জাতীয় বাজেটেই নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বেতন কমিশনের সব সুপারিশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার চিন্তা করছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত করা হবে। পরে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হবে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী বর্তমান ২০ গ্রেডের বেতন কাঠামো বহাল থাকবে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

পেনশন সুবিধাও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী, মাসিক ২০ হাজার টাকার কম পেনশনভোগীদের পেনশন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পেনশনে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া বয়সভিত্তিক অতিরিক্ত ভাতার সুপারিশও করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীরা অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা, ৫৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সীরা ৮ হাজার টাকা এবং ৫৫ বছরের কম বয়সীরা ৫ হাজার টাকা ভাতা পেতে পারেন।

কমিটির সুপারিশে আরও বলা হয়েছে, প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতা দেওয়ার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্য পৃথক বেতন কমিশনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, Muhammad Yunus-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত বছর জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশনটি চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..