× Banner
সর্বশেষ
বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই

নিজস্ব প্রতিবেদক

সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল ও পরিবারের সম্পদ নয় – প্রধানমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
সশস্ত্র বাহিনী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য গঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং এই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা বিভাজন গ্রহণযোগ্য নয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দরবারে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা ঘটনা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে তিনি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বাহিনীকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টা দেখা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়সহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাহিনীর ভূমিকা আরও স্বচ্ছ ও পেশাদার হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই সময় থেকে সেনাবাহিনীর মধ্যে যে দেশপ্রেম ও শক্তিশালী মনোভাব গড়ে উঠেছিল, তা অব্যাহত রাখা জরুরি। তার মতে, একটি ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী থাকলে বাংলাদেশকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না।

এছাড়া তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণকে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, বিএনপি সরকারের সময়েই এই অর্জন আন্তর্জাতিকভাবে আরও উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

তারেক রহমান আরও বলেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতের সংস্কার এবং মানুষের উন্নয়নকে সামনে রেখে একটি নতুন রূপান্তরের পরিকল্পনা তাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকারে রয়েছে। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়েও তিনি প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..