× Banner
সর্বশেষ
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তির কার্যক্রম পরিচালনা হবে টেলিটকের ৩৬ জুলাই অফারে তরুণদের ব্যাপক সাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম ‘সবুজ বিপ্লব’ এর ডাক দিয়েছিলেন -পরিবেশমন্ত্রী  জমি দখলকে কেন্দ্র করে নারীসহ দুইজনকে মারধরের অভিযোগ বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক  বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট হবে -ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মান্দায় এমপি ফ্যান ও নেবুলাইজার বিতরণ ২০ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা কমিশনের শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট

পিআইডি

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের পূর্বে রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা জরুরি -বাণিজ্য উপদেষ্টা  

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের পূর্বে রক্তপরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এক্ষেত্রে বিবাহ নিবন্ধনকারী কাজী, ধর্মীয় নেতা ও স্কুলের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণসহ জনমত সৃষ্টিতে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা।                                                     

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আজ আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সচেতনতা ও পর্যাপ্ত স্ক্রিনিংয়ের দ্বারা থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে আক্রান্তের হার কমিয়ে আনা যেতে পারে। থ্যালাসেমিয়া বাহক হলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। দু’জন বাহক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এটি প্রতিরোধে তাই ব্যক্তিপর্যায়ের জনসচেতনতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

তাছাড়া, রোগের ব্যয় নির্বাহে প্রায় দুই হাজার থেকে দশ হাজার কোটি টাকার পারিবারিক বা রাষ্ট্রীয় খরচের দায় তৈরি হয়। এই দায় থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাইকে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের অবস্থা জানার আহবান জানান তিনি। এসময় উপদেষ্টা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. একেএম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. সেলিমুজ্জামান, ইনস্টিটিউটের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. মো. মনির হোসেন এবং জেনফার বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার ডা. আরেফিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. মো. মাহবুবুল হক।

১৯৯৪ সাল থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এ রোগের চিকিৎসা শুরু হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘থ্যালাসেমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করি’।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..