× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

ডেস্ক

নবী-রাসুলরা কিভাবে রোজা করতেন?

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
পবিত্র রমজান
পবিত্র রমজান মাস,কুরআন নাজিলের মাস। সেই সাথে এই মাসটিকে কুরআন বিজয়ের মাসও বলা যায়।

ইসলামের অন্যতম বিধান রোজা হিজরি বর্ষের নবম মাস রমজানে পালিত হয়। রোজার বিধান শুধু নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপরই ফরজ হয়নি, বরং এর সূচনা হয় পূর্ববর্তী নবীদের সময় থেকে।

তবে রোজার বিধান এক হলেও ধরনে ছিল ভিন্নতা। নিম্নে পূর্ববর্তী নবীদের রোজার ধরন তুলে ধরা হলো—

১. আদম (আ.)-এর রোজা : আদম (আ.) পৃথিবীর প্রথম মানব ও প্রথম নবী। তিনিই প্রথম রোজা পালন করেন।

তাঁর রোজা কেমন ছিল সে ব্যাপারে কোরআন, হাদিস ও ইতিহাস থেকে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। তবে তিনি যে রোজা রেখেছিলেন তা জানা যায়। আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে একটি নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি সেই গাছের ফল আহার করে ফেলেন।

পরক্ষণেই আল্লাহ তাঁকে সতর্ক করেন এবং পৃথিবীতে নামিয়ে দেন। এদিকে নিষিদ্ধ গাছের ফল দেহের রং পাল্টে দেয়; দেহ কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে। বিষয়টি আদম (আ.)-কে বিচলিত করে। তখন আল্লাহ তাআলা জিবরাইল (আ.)-কে প্রেরণ করেন।

জিবরাইল (আ.) বললেন, আপনি কি চান আপনার দেহ শুভ্রতা ফিরে পাক? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

জিবরাইল (আ.) বললেন, তাহলে প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখুন। তিনি রোজা রাখা শুরু করলে প্রথম দিনে শরীরের এক-তৃতীয়াংশ শুভ্র হয়ে যায়, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন একই পরিমাণ শুভ্রতা ফিরে পায়। তখন থেকেই তিনি এ রোজা রাখতে শুরু করেন। এ রোজার নাম রাখা হয় ‘আইয়ামে বিজ’। (ফতহুল বারি : ৪/১২৩)

২. নুহ (আ.)-এর রোজা : তিনি ছিলেন প্রথম রাসুল তথা শরিয়তপ্রাপ্ত প্রথম নবী। তাঁর নামেই কোরআনে অবতীর্ণ হয়েছে সুরা নুহ। নুহ (আ.)-এর ব্যাপারে হাদিসে পাওয়া যায়, তিনি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন ছাড়া সারা বছরই রোজা রাখতেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭১৪)

৩. ইবরাহিম (আ.)-এর রোজা : শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর পূর্বপুরুষ হলেন ইবরাহিম (আ.)। যার বংশ থেকে অসংখ্য নবী-রাসুল এসেছেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ইবরাহিম (আ.)-ও প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখতেন। এ ব্যাপারে তিনি আদম (আ.)-এর অনুসরণ করতেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ)

৪. দাউদ (আ.)-এর রোজা : দাউদ (আ.) ছিলেন একজন নবী ও ন্যায়পরায়ণ শাসক। কোরআনে যাকে আল্লাহর প্রতিনিধি বলা হয়েছে। তাঁর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল আসমানি কিতাব জাবুর। তাঁর রোজার প্রশংসা করে নবীজি (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলার নিকট অধিকতর প্রিয় রোজা হচ্ছে দাউদ (আ.)-এর রোজা। তিনি এক দিন রোজা রাখতেন এবং এক দিন রোজা রাখতেন না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৪২০)

৫. সুলাইমান (আ.)-এর রোজা : নবী সুলাইমান (আ.) প্রতি মাসে ৯টি করে রোজা রাখতেন। মাসের প্রথম দশকে তিনটি, মাঝের দশকে তিনটি ও শেষ দশকে তিনটি। (কানজুল উম্মাল, হাদিস : ২৪৬২৪)

৬. ঈসা (আ.)-এর রোজা : আল্লাহ তাআলা তাঁকে অনেক মুজিজা প্রদান করেছেন। তিনি নিজে বিভিন্ন জিনিস আহার করা থেকে বিরত থাকতেন। যেমন—মাছ ব্যতীত পাখি, গোশত ও প্রাণ আছে এমন সব প্রাণী। আর এটাই ছিল তাঁর রোজা। (তাফসিরে তাবারি : ৩/৪১১)


এ ক্যটাগরির আরো খবর..