× Banner
সর্বশেষ
দিল্লির বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের সমালোচনার পর আরএএফের নতুন নির্দেশনা, পেলেট গান ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে হামলা: নাবিক নিহত, ইউক্রেনকে দায়ী করে কড়া প্রতিক্রিয়া তেহরানের দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র আক্রমণ ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, গুলশানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মণীষ চন্দ্র বিশ^াস,গৌরনদী

ড্রাগন চাষে সফলতা অর্জন করেছেন গৌরনদীর আল-মাসুদ

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২
ড্রাগন চাষে সফলতা অর্জন করেছেন গৌরনদীর আল-মাসুদ

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আধুনা গ্রামের আল-মাসুদ ঢাকার একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে তিনি চীনে গিয়েছিলেন। সেখানে ড্রাগনের বাগান দেখে তিনি মুগ্ধ হন।

তিনি সেদেশের (চীনের) লোকজনদের কাছে জানতে পারেন ড্রাগন ফল চাষ পদ্ধতি সহজ,রোগ-বালাই কম ও বাজারে ড্রাগন ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এতে বেশী লাভ,তাই তিনি বানিজ্যিক ভাবে ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন। সিদ্ধান্ত নেন নিজ এলাকায় ড্রাগন চাষের। পরবর্তিতে গত দেড় বছর আগে উপজেলার আধুনা গ্রামে তার শশুড় মান্নান মীরের ৮০ শতক জমিতে বেড তৈরী করে তিনি চায়না পদ্ধতিতে বিভিন্ন জাতের ৫ হাজার ড্রাগনের চারা রোপন করেন।

ইতিমধ্যে তিনি অনেকটা সুফল পেতে শুরু করেছেন।আল-মাসুদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে,তিনি ড্রাগন ফলের চারা সংগ্রহ করেছেন চীন দেশ থেকে। চায়না ম্যাথডে অর্থাৎ কম জায়গায় বেশী চারা, বেশী ফল। এই পদ্ধতিতে দক্ষিণাঞ্চলে সর্ব্ব প্রথমে তিনি ড্রাগন চাষ শুরু করেন। চারা রোপনের পর বছর যেতে না যেতেই তার ড্রাগন গাছে লাল,সাদা ও হলুদ বর্ণের প্রচুর ফুল ও ফল ধরেছে।

৮০ শতক জমিতে মাটি ভরাট,মাটি তৈরী, চারা সরবরাহ ও চারা রোপন সহ সবকিছু মিলে ড্রাগন চাষ করতে এ যাবত তার প্রায় ২০লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে তিনি জানান। ২ মাস আগে থেকে তিনি ফল বিক্রি শুরু করেছেন।

বর্তমানে বাজারে মৌসূমী ফল ভরপুর থাকার পরেও প্রতিকেজি ড্রাগন ফল পাইকারী ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মূল্যে বিক্রি করছেন। আগামী এক বছরে ২৫ লক্ষাধিক টাকার ফল ও চারা বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আল-মাসুদের ড্রাগন ফলের বাগান দেখতে প্রতিদিন এলাকার লোকজন এসে ভীড় করছেন। তাদের অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন ড্রাগন চাষে। তার বাগানে বর্তমানে ৩ জন শ্রমিক কাজ করছে। গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান জানান,ড্রাগন বিদেশী ফল হলেও আমাদের দেশে ড্রাগনের চাষ শুরু হয়েছে।

পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ ড্রাগন ফল ডায়াবেটিকস ও ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী। তিনি আরো জানান,মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বিদেশী ফল ড্রাগন চাষে আগ্রহী করে তুলতে পারলে একদিকে যেমন বিদেশী ফলের আমদানী নির্ভরতা কমে আসবে অপরদিকে ফল চাষ করে কৃষকরা লাভবান হতে পারবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..