× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

প্রথমবারের মত গোবিন্দ প্রামাণিকের ডাকা সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ায় হতাশ কাউন্সিলররা

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০
হতাশ কাউন্সিলররা

গোবিন্দ প্রামাণিকের বরাত দিয়ে এম.কে.রায়. বলেন, ”হিন্দু মহাজোট বিরাট বট বৃক্ষ, মহাসমুদ্র। এখান থেকে দু একটা পাতা ঝরে পড়লে কিছু হয় না” – এখানে পাতা তো দূর পুরো বট গাছটাই তো উপড়ে গেছে। যে নিজে আজ ফুটপাতে বটগাছের নিচে দাড়িয়ে সম্মেলন করতে হলো।
দূর থেকে আগত ব্যক্তিরা  (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, যদি সম্মেলন বাতিল হয়ে থাকে তাহলে আমাদের তা জানানো হলো না কেন? আমরা আসার আগে ফোন করে এসেছি। কাল রাতে ও আমাদের জানানো হয়েছে সম্মেলন হবে। আমরা এত জন প্রতিনিধি নিয়ে এসে পরিশ্রান্ত। এসে এভাবে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে এটা খুব দুঃখজনক। আমরা হিন্দু মহাজোট মানে গোবিন্দ প্রামাণিককে চিনি। হিন্দুদের স্বার্থে আমরা সারা বাংলাদেশ থেকে এক যোগে সাড়া জাগিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে হতাশ হতে হবে তা বুঝতে পারিনি। আমরা চাই গোবিন্দ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ তিনি ভুল প্রমাণ করুন। তিনি আবার সকলকে এক করে এক সাথে হিন্দুদের স্বার্থে কাজ করি। কারণ যত মত তত পথ, হিন্দুর স্বার্থে একমত

সূত্র থেকে জানা যায়, অব্যাহতি প্রাপ্ত সাবেক মহাসচিব তার দুর্গতি বুঝতে পেরে অনুগত দু-একজন ও সংগঠনে নতুন কিছু লোক নিয়ে আজ ০৬ মার্চ ২০২০ইং রোজ শুক্রবার ঢাকার জর্জকোর্ট অডিটরিয়ামে হিন্দুমহাজোটের তৃ-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করে যেটিকে মূল হিন্দুমহাজোটের নেতৃবৃন্দ অবৈধ ও অনৈতিক বলে আখ্যা দেন এবং উক্ত অবৈধ সম্মেলন বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করার প্রেক্ষিতে গত ০৫ মার্চ ২০২০ তারিখেই কর্তৃপক্ষ ভেন্যু বুকিং বাতিল করে দেন এবং প্রশাসন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় এই নামে অবৈধ মহাসচিবের আহবানে কোন সম্মেলন করার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিষয়টি দিনিউজ অনলাইনে প্রকাশিত হলে তৃনমূল পর্যায়ে ব্যপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় এবং অনেকেই ফোন করে সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চায়।

প্রশাসন কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার বিষয়টি জানার পরও গোবিন্দ প্রামানিক ও তাঁর অনুগতরা তৃনমূলের সাধারন কর্মীদের সম্মেলন হবে জানিয়ে আসতে বলেন এবং তাদের কথার উপর বিশ্বাস করে সারা দেশ থেকে প্রায় দেড়-দুইশ কর্মী সারা রাত ধরে ঢাকা আসেন। ভোর থেকেই আগত নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়, সম্মেলনের জন্য বিকল্প ভেন্যুর কথা বললেও দুপুর পর্যন্ত রোদে ঢাকার গোপীবাগের রাস্তায় তাদেরকে দাড় করিয়ে রেখে এক নর্দমার পাশে কন্ঠ ভোটের কথা বলে গোবিন্দ প্রামানিক নিজেকে আবার মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করে। বিষয়টি নিয়ে আগত কর্মীদের মধ্যে ব্যপক অসন্তোষ দেখা দেয়। কারণ আগত অনেকেই হিন্দু মহাজোটের বিভক্তির বিরুদ্ধে, তাদেরকে বলা হয়েছিল সকলকে সমন্বয় করে কমিটি করা হবে।

আরও পড়ুনঃ গোবিন্দ প্রামাণিকের হিন্দু মহাজোটের সম্মেলনে কোর্টের অডিটোরিয়াম বুকিং বাতিল

সম্মেলনে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ ও কুম্ভ মেলার নাগা সন্যাসীদের উপস্থিতির কথা বলা হলেও কাউকে দেখা যায়নি। যদিও এরকম আগেও কয়েক বার গোবিন্দ প্রামানিক করেছেন,  এর আগের এক অনুষ্ঠানে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে তাঁকে প্রধান অতিথি করে সবাইকে নিমন্ত্রন করেছিলেন এবং নেতা কর্মীরা এসে জানতে পারেন মূলত মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেননি। সে সময়ও অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই জন্য যে মিথ্যা বলার কি দরকার ছিল। নিজের মহাসচিব পদ আকড়ে ধরে রাখার জন্য সমস্ত হিন্দু সম্প্রদায়কে এভাবে নিচু করার হীন চেষ্টায় সাধারন কর্মীরা অনেক মনোকষ্ট নিয়ে আজ ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন আজকে প্রমানিত হয়ে গেল গোবিন্দ প্রামানিকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সত্যি এবং তাঁকে বাদ দিয়েই মহাজোটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

এ বিষয়ে গোবিন্দ প্রামানিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাঁকে পাওয়া সম্ভব হয়নি তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁর এক অনুগত সম্মেলন নিয়ে যে তথ্য দিয়েছে যেমন সাড়ে তিন হাজার নেতা কর্মী ৬৪ জেলা ও দেশের সকল উপজেলা থেকে সম্মেলনে এসেছেন,  বাস্তবতার সাথে অনুসন্ধানী রিপোর্টে কোন মিল পাওয়া যায়নি। অনেকেই মনে করছেন হিন্দু একগুয়েমি, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির কারনে হিন্দু মহাজোট থেকে গোবিন্দ প্রামানিক অধ্যায়ের অবসান হল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..