× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত

সমর্থক হোক না হোক সবাই আমাদের লড়াই উপভোগ করেছে স্মৃতি রোমন্থন মেসির

Ovi Pandey
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২০

অভিজিৎ পান্ডে, দি নিউজ ডেক্সঃ রিয়াল ছাড়ার পর রোনালদো আর মেসির আর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়নি। অসাধারণ সব লড়াইয়ের স্মৃতি রয়ে গেছে ফুটবলের ইতিহাসে, এক সাক্ষাৎকারে সেই স্মৃতি রোমন্থন করলেন মেসি। মাঠের লড়াই থাকলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমাদের সম্পর্ক ছিল খুবই চমৎকার। আমি মনে করি লোকে এই লড়াই উপভোগ করেছেন, মাদ্রিদ বা বার্সা যে দলেরই সমর্থক হোক না কেন। এমনকি যারা শুধু এমনিই ফুটবলকে পছন্দ করে, তারাও এটা উপভোগ করেছে।

এটা ছিল বিশেষ একটা কিছু। আমাদের দ্বৈরথ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কেননা অনেক বছর ধরে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা চলেছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে এত লম্বা সময় ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যাওয়াটা সহজ নয়। আরও একটা কারণ ছিল, আমরা যে দুই দলে খেলছিলাম। মাদ্রিদ ও বার্সা দুটোই বিশ্বের সেরা ক্লাব এবং সেখানে প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। এত বছর ধরে পরস্পরের সঙ্গে এই লড়াই সবসময় স্মরণীয় হয়ে হয়ে থাকবে। মেসির দাবি, মাঠের এই লড়াই কখনোই তাদের মাঠের বাইরের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেনি।

২০০৯ সালে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মূলত শুরু হয় দুজনের পরস্পরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে নয় বছরের ক্যারিয়ারে ইতি টেনে ২০১৮ জুলাইয়ে ১১ কোটি ২০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফিতে ইউভেন্তুসে যোগ দেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। ততদিনে রিয়ালের হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দুটি লা লিগাসহ জেতেন অনেক শিরোপা। সব প্রতিযোগিতা মিলে রিয়ালের হয়ে করেন ক্লাব রেকর্ড ৪৫০ গোল।

বার্সেলোনার হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও রেকর্ড ১০টি লা লিগা জয়ী মেসিও এ সময়ে গড়েন অনেক রেকর্ড। লা লিগার সর্বোচ্চ গোলের মালিক রোনালদো স্পেনে থাকাকালীন সময়ে সব প্রতিযোগিতা মিলে করেন ৪৭২ গোল। পরে ষষ্ঠবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতে বর্ষসেরার লড়াইয়ে টপকে যান রোনালদোকে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..