× Banner
সর্বশেষ
বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই

জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আশাশুনির বেতনা এখন মরা খালে পরিনত

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯

সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি,সাতক্ষীরা: জলাবায়ুর পরিবর্তনের ফে আশাশুনি উপজেলার কুল্যা, বুধহাটা, কাদাকাটি ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলাসহ ধুলিহর ইউনিয়নের বুকচিরে বয়ে যাওয়া বেতনা নদীটি এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে।জরুরী ভিত্তিতে খনন না করা হলে সাতক্ষীরা একটা অংশ জলবদ্ধায় পরিনত হবে বলে পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

নদীটির সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্যে জোয়ার ভাটা নেই বললেই চলে। সদরের ধুলিহর ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা, মাছখোলা এবং আশাশুনির কুল্যা-গুনাকরকাটি ব্রীজ সংলগ্ন, বুধহাটা বাজার সংলগ্ন, নওয়াপাড়া ও মহেশ্বরকাটি এলাকার বেতনা নদীতে পলি জমতে জমতে ভাটার সময় নদীর তলদেশ জাগ্রত হয়ে গেছে। ফলে নদীতে ভাটার সময় সাধারণ মানুষ পায়ে হেটে পারাপার হয়ে থাকে।

নদীটি যশোরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে শার্শা উপজেলার নাভারনের কাছ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে এঁকে বেঁকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা থেকে আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বুক চিরে খোলপেটুয়া নদীতে গিয়ে মিশেছে। (বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক বেতনা নদীটির পরিচিতি নম্বর নং ৬৪। আবহমানকাল থেকে বেতনা নদীটির দৈর্ঘ্য ১৯১ কিলোমিটার (১১৯ মাইল), গড় প্রস্থ ৫৫ মিটার। কালের বিবর্তনে বেতনা নদী আজ হারিয়ে নদীটির চার ভাগের তিনভাগই ভরাট হয়ে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে গেছে এবং মরা খালে পরিনত হয়েছে।

এছাড়া সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন এলাকায় নদীটি একেবারেই শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে এবং আশাশুনির অনেক স্থানে ভাটার সময় নদী হেটেই পার হয় সাধারণ মানুষ। বেতনা নদী তার নাব্যতা হারানোর ফলে লোকালয়ের মৎস্য ঘের, খাল, বিলের চেয়ে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে উচু হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হতে পারেনা। উপরন্ত বর্ষা মৌসুমে সকল খালের স্লুইচ গেটের পাট বন্ধ করে রাখতে হয়, যাতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীর সাথে সাথে বেতনা নদী বালু মহল ঘোষনা করা হলে অথবা নদীটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করলে অনেককাংশে নাব্যতা ফিরিয়ে আসতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। না হলে অচিরেই বাংলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে এক সময়কার প্রমত্তা বেতনা নদী। বিষয়টি আমলে নিয়ে নদী খননের কাজ শুরু করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..