× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

আরও একজন রেমিটেন্স যোদ্ধার পরলোক যাত্রা।

Shawkat Hossain
হালনাগাদ: রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৯

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি, ১৭-০৩-২০১৯, সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত মালয়েশিয়াতে প্রবাসী বাংলাদেশী মো: রফিকুল ইসলাম এর মরদেহ শনিবার ১৬-০৩-২০১৯,  বাংলাদেশ এসে পৌছায়। এর আগে শুক্রবার বাদ এশার মালয়েশিয়ার পুচং এলাকার একটি মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মো: রফিকুল ইসলাম পাসপোর্ট নং- BE0258356, পিতা: মৃত আহমেদ আলী, (গ্রাম: মোচাগাড়া, জেলা: কুমিল্লা) জহুর বারুতে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর সুলতানা আমিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা জরুরী ভাবে তাকে পর্যবেক্ষন করে জানান তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এজন্য তাকে মাথার অপারেশন করাতে হবে। এরপর ডাক্তাররা রফিকুলের মাথায় অপারেশন করার পর হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়।

 

হাসপাতালে আইসিইউতে থাকাকালীন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে গত ০৫-০৩-২০১৯ তারিখে ইন্তেকাল করেন। এ ব্যাপারে জহুর বারুর বালাই পুলিশ ট্রাফিক কুলাই জায়া’তে পুলিশ রিপোর্ট করা হয়, (রিপোর্ট নং- TRAFIK KULAIJAYA/001789/19)

 

তার গ্রামের বাড়ীর একজন জানান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মালয়েশিয়ার ভূমি টুঙ্গাল গ্রুপ অব কোম্পানীর মাধ্যমে রেজিষ্টেশন করে বৈধ পারমিট করে জহুর বারুতে কাজ করত। প্রতিদিন সে বাইসাইকেল চালিয়ে তার কর্মস্থলে যেত। কিন্তু ২৩-০২-২০১৯ তারিখ যখন সে সকালে ৭ টার দিকে তার বাইসাইকেলটি চালিয়ে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ করেই পিছন থেকে একটা প্রাইভেট কার এসে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাইসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে রফিক সেই প্রাইভেট কারের সামনের অংশের গ্লাসের উপর পরে। তার মাথার সাথে সজোড়ে ধাক্কা লেগে গাড়ীর সামনের গ্লাসটি ভেঙ্গে গুড়ো গুড়ো হয়ে যায়। গাড়ীটি ড্রাইভ করছিল একটি মেয়ে। সেই মেয়েটিই স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে গুরুতর আহত রফিকুল ইসলামকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এদিকে মৃত রফিকুল তার স্ত্রী ও ৪ ছেলে- মেয়ে রেখে যান। অসহায় এই পরিবারটির জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা সকলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। রফিকুল যে কোম্পানীতে কাজ করত সেই কোম্পানির মালিক, কোম্পানির শ্রমিক ও রফিকুলের বন্ধুরা মিলে যে যার মত আর্থিক সহযোগিতা করে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..