× Banner
সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু রাজবাড়ীতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরো আন্তরিক হতে হবে – সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইবার সক্ষমতা ও দেশীয় উদ্ভাবনে নতুন গতি আনতে হবে – প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নিশ্চিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে বিজিবিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

দুই মাসের শিশুর পেটে বাচ্চা!

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো : অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। মাত্র দুই মাস বয়সি শিশুর পেট থেকে জন্ম নিয়েছে আরেক শিশু। শনিবার দুপুরে  রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি ছেলে শিশুর পেটে অস্ত্রপচার করে আরেকটি কন্যা শিশুর ভ্রুণ বের করেন চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় হাসপাতালসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রমেক হাসপাতালের চিকিৎসরা জানিয়েছেন, সদ্য জন্ম নেওয়া মেয়ে শিশুটির (অথবা ভ্রুণ) হাত, পা, মস্তিষ্ক, মাথার চুলসহ সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রাথমিক অবস্থায় রয়েছে। তবে স্বাভাবিক শিশুর নমুনা ধারণ করেছে সদ্যজাত শিশুটি। এ ঘটনাকে বিরল বলে আখ্যায়িত করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

রমেক হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বাবুল কুমার সাহার নেতৃত্বে ৬ জন চিকিৎসক ছেলে শিশুটির পেটে অস্ত্রপচার চালিয়ে ভ্রুণটি বের করেন। এ বিষয়ে ডা. বাবুল কুমার সাহা বলেন, ‘গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রতের বাজার গ্রামের পোশাক শ্রমিক সোহেলের স্ত্রী মুন্নী বেগম দুই মাস আগে সিজারে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেন। জন্মের কিছুদিন পর শিশুটির পেট ফুলতে থাকে। শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে এলে আলট্রাসনোগ্রাম ও সিটি স্ক্যান করা হয়। পরে যান্ত্রিক পরীক্ষায় শিশুটির পেটে আরেক শিশুর অস্তিত্ব ধরা খুজে পান চিকিৎসক।

শনিবার দুপুরে সফল অস্ত্রপচার করে শিশুটির পেট থেকে আরেকটি মেয়ে শিশুর ভ্রুণ বের করা হয়।’ ডা. বাবলু কুমার সাহা আরো বলেন, ‘অপারেশন করে দেখা যায়, মেয়ে শিশুটির শরীরে প্রায় সবগুলো অরগান ডেভেলপ করেছে। শিশুর ভ্রুণটি যেহেতু প্রায় পূর্ণাঙ্গ আকার ধারণ করেছে, সে কারণে আমরা এটাকে বাচ্চার পেটে বাচ্চা বলছি। তবে শিশুটি পোষক শিশুর পেটে আর ৫/৬ মাস থাকলে এটি পরিপূর্ণ শিশু হয়ে যেত। এ ক্ষেত্রে পেটে থাকা শিশুটি বাঁচতে পারত, মারাও যেতে পারত। তবে যে শিশুর পেটে বাচ্চাটি বড় হচ্ছিল, সেই শিশুটিকে বাঁচানো যেত না। এ কারণেই অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশন করার পরে শিশুটির জ্ঞান ফিরেছে। এখন সে অনেকটা সুস্থ আছে।’ চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে শিশুটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৮ নম্বর শিশু সার্জারি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছে। অপারেশন করে বের করা মেয়ে শিশুর ভ্রুণটি সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে জানান ওই চিকিৎসক।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..