৩৫জন টিসিবির ডিলারের মধ্যে ৯জনের পণ্য উত্তোলন

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ (৭,মে) ২৭৪: পবিত্র রমজান উপলক্ষে নড়াইল জেলায় ৩৫ ডিলারের মধ্যে মাত্র ৯ জন ডিলার টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) পণ্য উত্তোলন করেছেন। এখনও পর্যন্ত নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কোনো ডিলার পণ্য উত্তোলন করেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু ভোজ্য পণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ২৩ এপ্রিল থেকে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, জেলায় বর্তমানে ৩৫ জন টিসিবি ডিলার রয়েছে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৫জন, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ১৪জন এবং নড়াইলের কালিয়ায় রয়েছে ৬জন। এসব ডিলারদের মধ্যে সদরে ৩জন এবং নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ৬জন ডিলার পণ্য উত্তোলন করেছেন। এবার কেজি প্রতি টিসিবির সয়াবিন তেলের মূল্য ৮৫ টাকা, ছোলার মূল্য ৬০ টাকা, চিনির মূল্য ৪৭টাকা এবং মুশুর ডালের মূল্য ৪৪টাকা এবং খেজুর ১শ৩৫টাকা ধার্য করা হয়েছে। তবে খেজুরের চালান এখনও আসেনি। জানা গেছে, প্রতি বরাদ্দে এক জন ডিলার ১ হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ১হাজার কেজি চিনি, ৫০০ কেজি ছোলা এবং ৪০০শ কেজি মুশুর ডাল উত্তোলন করতে পারবেন।

মেসার্স শেখ প্রান্তর এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারি টিসিবির ডিলার শেখ শামসুজ্জামান খোকন বলেন, রমজান উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে গত ২৫ এপ্রিল থেকে টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু করেছি। খেজুর ছাড়া টিসিবির বাকি পণ্য খুচরা বাজার থেকে মূল্য কম থাকায় এবার টিসিবি পণ্যের চাহিদা থাকবে। তবে কেন ডিলাররা পণ্য তুলছেন না কেন এ প্রশ্নে তিনি বলেন, টিসিবর পণ্যে লাভ কম এবং আনুসঙ্গিক খরচ বেশী। যারা স্থায়ী মুদি ব্যবসায়ী, তাদের পক্ষে টিসিবি পণ্য আনা এবং বিক্রি করা সহজ। আর সারা বছর অন্য কোনো ব্যবসা না করে শুধু ঈদের পূর্বে দুই বার টিসিবি পণ্য এনে খুব একটা লাভ হয়না। ফলে টিসিবির ডিলাররা পণ্য তুলতে চান না।

টিসিবি খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোঃ রবিউল মোর্শেদ বলেন, গত বছর নড়াইল জেলায় মোট ৪০জন ডিলার ছিল। এর মধ্যে গত বছর পণ্য উত্তালন না করাসহ বিভিন্ন কারনে ৫জনের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। বর্তমানে ৩৫জন ডিলার রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৯জন ডিলার টিসিবি পণ্য উত্তোলন করেছেন। জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান, দু’এক দিনের মধ্যে টিসিবি ডিলারদের নিয়ে মিটিং হবে। মিটিং-এ ডিলারদের পণ্য উত্তোলনের জন্য বলা হবে। যদি কোনো ডিলার পণ্য উত্তোলন না করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।