× Banner
সর্বশেষ
বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ফ্যাসিবাদ উৎখাতের পর্ব শেষ, এখন আমাদের দেশ গড়ার পালা – তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’র পরিকল্পনা বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ফিফাকে সতর্ক করল এএফসি র‍্যাবের ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ২৩ বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২০১৫ সালটা সুখকর ছিলো না ধনীদের জন্য

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০১৫ সালটি মোটেও সুখকর ছিল না বিশ্বের সর্বোচ্চ ধনীদের জন্য । এই বছরে সালে ১৯ বিলিয়ন খুইয়েছেন বিশ্বের ৪০০ শীর্ষ ধনী। ২০১২ সালে শীর্ষ ধনীর সূচক চালুর পর এই প্রথম ধনীদের মোট সম্পদ কমে গেল। তবে শীর্ষ ধনীদের এই দুরবস্থার মধ্যেও বছরটা ভালো কেটেছে প্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স বলছে, তাদের তালিকায় থাকা শীর্ষ ৪০০ ধনী এ বছরে খুইয়েছেন ১ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ।

ব্লুমবার্গের মতে, জ্বালানি তেলসহ বিশ্ববাজারে বিভিন্ন পণ্যের অব্যাহত দরপতন, শেয়ারবাজার ধস, চীনের অর্থনৈতিক গতি মন্দাই ধনীদের লক্ষ্মীতে টান পড়ার অন্যতম কারণ।

ব্লুমবার্গের সূচক অনুযায়ী, এ বছর সবচেয়ে বেশি সম্পদ খুইয়েছেন মেক্সিকোর টেলিযোগাযোগ সম্রাটখ্যাত কার্লোস স্লিম হেলু। তার মালিকানাধীন আমেরিকা মোভিলের সম্পদের পরিমাণ এ বছর কমেছে ২৫ শতাংশ। আর হেলু নিজে হারিয়েছেন ২ হাজার কোটি ডলার। মেক্সিকোতে হেলুর মোবাইল ফোন ও ল্যান্ডফোন ব্যবসার একচ্ছত্র আধিপত্য কমাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কড়াকড়িই তাঁর এই আর্থিক দুর্গতির মূল কারণ।

অর্থযোগের হিসেবে বিনিয়োগ-গুরু ওয়ারেন বাফেটের ক্ষতিও কম নয়। এ বছর তিনি খুইয়েছেন ১ হাজার ১৩০ কোটি ডলার। বাফেটের প্রতিষ্ঠান বার্কশায়ার হ্যাথওয়ের ২০১১ সালের পর এ বছরই প্রথম ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা হয়েছে।

বাফেটের পর সম্পদ হারানোর এই তালিকায় আছেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। এ বছর তার সম্পদ কমেছে ৩০০ কোটি ডলার।

শীর্ষ ধনীদের এই দুরবস্থার মধ্যেও বছরটা ভালো কেটেছে প্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের। ই-কমার্স ওয়েবসাইট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্পদ এ বছর বেড়েছে ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের সম্পদ বেড়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে এই তালিকায় থাকা ৪৪ প্রযুক্তি ব্যবসায়ীর মোট সম্পদের পরিমাণ এ বছর বেড়েছে ৮ হাজার ১০০ কোটি ডলার।

বছরটা ভালো গেছে ইউরোপের শীর্ষ ধনী স্পেনের আমানসিও ওর্তেগারও। এ বছর তিনি আয় করেছেন ১ হাজার ২১০ কোটি ডলার।

৪০০ শীর্ষ ধনীর সম্পদের বিশ্লেষণে ব্লুমবার্গ বলছে, তাদের বর্তমান সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপান ছাড়া এই অর্থ বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের চেয়ে বেশি।

চীনের বিলিয়নিয়ারের জন্যও বছরটা ছিল হতাশার। ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারিতে ব্লুমবার্গের তালিকায় চীনা ধনীর সংখ্যা ছিল ২৩, আর তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২০ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। গত মে মাসে চীনা বিলিয়নিয়ারের সম্পদ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, কিন্তু বছরের শেষের দিকে এসে তা কমে বছরের শুরুর দিকের অবস্থায় ফিরে আসে।

রাশিয়ার ধনীরা এ বছর হারিয়েছেন ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। পূর্ব ইউক্রেন দখলের অপরাধে পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞাই রাশিয়ার ধনীদের এই দুর্দশার মূল কারণ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..