× Banner
সর্বশেষ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ রপ্তানিতে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চাকরি না খুঁজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হোন – মির্জা ফখরুল দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে – বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯

সময় এবং খরচ কমিয়ে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। বললেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর এক হোটেলে ভিয়েতনাম এ্যন্বাসি ও বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের অপরসোনিটি ও চ্যালেঞ্জেস” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইন্টারনেট সংযোগ, ই-গভর্নেন্স, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পখাত গড়ে তোলা এ চারটি মৌলিক স্তম্ভের ওপর দেশকে দাড় করানো হচ্ছে।

পলক বলেন বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইসতেহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার গ্রাম আমার শহর, তারুণ্যের শক্তি এবং সুশাসন এই তিনটি বাতিঘরের মাধ্যমে কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেন। শহরের সকল সুবিধা গ্রামে পৌছে দেয়া, তারুণ্যের শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিগত ১০ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত অনেক এগিয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন দেশের প্রায় ৪ হাজার ইউনিয়নে হাইস্পিড ইন্টারনেট সংযোগ পৌছে গেছে। এর মাধ্যমে গ্রামে বসেই জনগণ শহরের সুবিধা পাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন সরকার দেশের আইসিটি খাতের যথাযথ বিকাশে ২৮টি হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করছে। ইতিমধ্যে ৩টি হাইটেক পার্কের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার হাইটেক পার্কের বিনিয়োগকারীদের কর মওকফসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। বিভিন্ন দেশি বিদেশি কোম্পানি এসব হাইটেক পার্কে শিল্প স্থাপন করেছে। তিনি ভিয়েতনামের কোম্পানিসমূহকে জয়েন্ট কোলাবরেশন বা এককভাবে বাংলাদেশের আইসিটি খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান।

বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি অধ্যাপক মাসুদ এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ন্যশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট  অথরেটির নির্বাহী চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন,  বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্রান ভ্যান খোয়া, বেসিস এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবির, ভিয়েতনাম সফ্টওয়্যার কোম্পানির চেয়ারম্যান সোয়ান ন্যায় তিয়েন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..