সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার রাষ্ট্র ব্যবস্থার কারণে কমিউনিজমের পতন হয়েছে

সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার রাষ্ট্র ব্যবস্থার কারণে কমিউনিজমের পতন হয়েছে
কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্র আজ একটি মৃত মতবাদ। এই মতাদর্শের স্রষ্টা কার্ল মার্কস বলেছেন, “আমি নিজেই মার্কসবাদী নই।” অর্থাৎ তিনি নিজের উদ্ভাবিত মতবাদ নিজেই বিশ্বাস করতেন না। কার্ল মার্কস নিজের আপ্তবাক্য সম্পর্কে বলেছেন, “যা কিছু মানবিক, তার কোন কিছুই আমার অনাত্মীয় নয়”। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কার্ল মার্কস সবকিছু জেনে-বুঝে শ্রেণী সংগ্রামের অমানবিক তত্ত্ব মানবজাতির ঘাড়ে চাপিয়ে গিয়েছিলেন কেন?
কোটি কোটি মানুষের জীবন চলে গেছে এই মার্কসবাদী কমিউনিজমের কারণে। কোটি কোটি তরুণ-তরুণী স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে, কমিউনিস্ট মতবাদের দীক্ষিত হয়ে – ভবঘুরে জীবন বেছে নিয়েছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই বিয়ে-শাদী ঘর-সংসার করেনি।
কার্ল মার্কস যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, সেই জার্মানিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন অটো ভন বিসমার্ক ― যাকে বলা হয় আধুনিক জার্মান রাষ্ট্রের স্থপতি। বিসমার্ক চ্যান্সেলর(প্রধানমন্ত্রী) নিযুক্ত হওয়ার পর, সমাজতন্ত্রকে কাউন্টার দেওয়ার জন্য প্রবর্তন করেছিলেন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সিস্টেম। এই আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা – উন্নত বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ গ্রহণ করেছে।
সমাজতন্ত্র বা কমিউনিজম মানুষের উপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে। সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর শ্রমশিবিরে অগণিত মানুষকে না খাইয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। পক্ষান্তরে পাশ্চাত্যের সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার রাষ্ট্রব্যবস্থা- প্রত‍্যেক মানুষের সমস্ত মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করেছে।
সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সিস্টেম- রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে সুখ দিয়েছে, শান্তি দিয়েছে, ভবিষ্যৎ জীবনের নিরাপত্তা দিয়েছে। মূলত অমানবিক কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্র ধরাশায়ী ও বিলুপ্ত হয়ে গেছে- এই সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার নামক মানবিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার দাপটে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।