× Banner
সর্বশেষ
ট্রাম্পের হেলিকপ্টারের কাছাকাছি যাত্রীবাহী বিমান, তদন্ত শুরু রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপিত: প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান স্বামী ভক্তিপ্রসাদ মধুসূদন গোস্বামী মহারাজের আবির্ভাব তিথি আজ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে স্মারক সংবর্ধনা হিরোশিমা দিবস: ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমার নির্মাণের নেপথ্যের বিস্ময়কর গল্প জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২০ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিক্রিয়া বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ

কুড়িগ্রামে সেতু আছে নেই কোন রাস্তা

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০
সেতু আছে রাস্তা নেই

বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামে একটি সেতু উদ্বোধনের দুই মাসের মাথায় সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
গত দুই বছরেও সেতুটির সংযোগ সড়ক মেরামতের কোনো উদ্যোগে না নেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার ধরলা নদীতীরের পাঁচ গ্রামের মানুষ।
জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতাধীন হলোখানা ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামে ২০১৭ সালে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২০ ফুট প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। সেতুটি উদ্বোধনের মাত্র দুই মাসের মাথায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে। বন্যায় সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এর পর থেকে সংযোগ সড়কের সংস্কার না করায় সেতুটি কোনো কাজে আসছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে ধরনা দিয়েও সুফল মেলেনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তা থেকে সেতুটি পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। বর্ষায় নৌকায় চলাচল করলেও এখন সেতুর নিচের আবাদি জমি দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে লোকজনকে।
খামার হলোখানা গ্রামের মমিনুল ইসলাম মণ্ডল জানান, সেতুটি চালুর পর হেমেরকুঠি, খামার হলোখানা, বড়াইবাড়ী, আঠারঘরিয়া ও লক্ষ্মীকান্ত গ্রামের দেড় হাজার পরিবারের সাত হাজার মানুষ জেলা সদরসহ হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালে দ্রুত যেতে পারত। কিন্তু দুই মাসের মাথায় সেতুটি অকার্যকর হওয়ার পর এসব এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। কেউ সেতুটি দেখতেও আসেনি। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বানদ্দি মামুদ জানান, সেতুর ওপর দিয়ে কোনো মালপত্র আনা-নেওয়া করতে না পারায় তাঁদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
হেমেরকুঠির চটকু মামুদ বলেন, ‘দেখেন না দুইপাকে কেমন খাল হয়া আছে। এলা মই দিয়া ব্রিজোত চরা খায়। এলাকার যুবক মতিউর রহমান বলেন, ‘সেতু যদি কাজেই না লাগে, তাহলে এত টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণের কোনো প্রয়োজন ছিল না। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ফিজানুর রহমান বলেন, ‘বন্যার পর ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হলেও তা পাওয়া যায়নি। ফলে সেতুর দুই পাশের ভাঙা সড়ক মেরামত করা যায়নি। তবে দ্রুত সংযোগ সড়ক মেরামত করে সেতুটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..