নির্বাচন কমিশন ভেঙে দিয়ে নতুন করে কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাহলেই দেশে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। অন্যথায় দেশে কোনও নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সোমবার মহানগর নাট্যমঞ্চে প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন।
তার আগে মির্জা ফখরুলকে পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। অনশন কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিএনপি নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। ন্যূনতম প্রাপ্যটুকুও দেয়া হচ্ছে না। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সবকিছু থেকে বিএনপি ও বেগম জিয়াকে দূরে সরিয়ে রাখার ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই বিএনপিকে রাজনীতি থেকে, নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে ও বিএনপিকে বাদ দিয়ে এদেশে আর কোনও জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না। এ জন্যই চেয়ারপারসন কারাগারে যাওয়ার আগে বলে গেছেন আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের বিজয় অর্জন করতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শুধুমাত্র বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য নয়, দেশের ১৬ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আজ এই ক্রান্তিলগ্নে আবারও আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
প্রতীকী অনশনে বিএনপি নেতাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।




