রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাপানের অব্যাহত সহায়তা চাইলেন হুমায়ুন কবির

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাপানের অব্যাহত সহায়তা চাইলেন হুমায়ুন কবির
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জাপানের অব্যাহত সহায়তা চাইলেন হুমায়ুন কবির

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধান অর্জনে জাপানের অব্যাহত সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, ‘এই দীর্ঘস্থায়ী মানবিক ও আঞ্চলিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ (রোববার) জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া ঢাকায় প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।

এ সময় সাসাকাওয়া বাংলাদেশের সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরে বলেন, এই সম্পর্ক ‘গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার’ ওপর প্রতিষ্ঠিত।

তিনি স্মরণ করেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার সূচনা হয়েছিল।

এরপর থেকে জাপানের এই ফাউন্ডেশন বিভিন্ন উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিরসনেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে বলে জানান তিনি।

সাসাকাওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বিভিন্ন সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, এনজিও এবং এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে কুষ্ঠ রোগ নির্মূলে তার প্রতিষ্ঠানের চার দশকেরও বেশি সময় ধরে করা কাজ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তিনি বাংলাদেশে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দিতে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের আগ্রহের কথাও জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
লেখক / প্রতিবেদক

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।