ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের স্বাক্ষর করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 এতে বলা হয়, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। এটি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৫৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৫১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্ররকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ নভেম্বর বিকেলে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি, যার তাণ্ডবে সারা দেশে প্রাণ হারান ৭ জন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়ার কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এর আগে, গত অক্টোবরে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় হামুনের সৃষ্টি হয়। এটি ২৪ অক্টোবর কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।