মানিকগঞ্জে মীর কাসেম আলীর দাফন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মানবতা বিরোধী অপরাধে ফাঁসিতে দন্ডিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা গ্রামে তাকে দাফন করা হয়।

শনিবার দিবাগত রাত পৌঁনে ৩টার দিকে মীর কাসেমের লাশ পৌঁছালে তা গ্রহণ করেন তার পরিবারের সদস্যরা। পরে কড়া নিরাপত্তায় সোয়া ৩টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর পর মসজিদের উত্তর পাশে লেবু বাগানে তাকে দাফন করা হয়।

মীর কাসেম আলীর প্রথম জানাজায় ১০০ জন উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে তার পরিবারের সদস্য ছিল ৪০ জন। জানাজায় ইমামতি করেন মীর কাসেম আলীর ভাতিজীর জামাই আবুল হাসান।

এদিকে মীর কাসেম আলীর লাশ তার প্রতিষ্ঠিত মসজিদ সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে চতুর্দিক থেকে হাজার হাজার জনতা জানাজায় অংশগ্রহণের চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশের কড়া ব্যরিকেড থাকায় সেখানে সাধারণ জনগণ কেউ উপস্থিত হতে পারে নি। এমনকি ওই মসজিদ সংলগ্ন এতিমখানার ছাত্রদেরও জানাজায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় নি।

এদিকে মীর কাসেম আলীর পরিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ওই স্থান ত্যাগ করলে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। তবে সাধারণ জনতাকে মীর কাসেমের কবরের পাশে তাৎক্ষণিক ভিড়তে দেয়নি পুলিশ।

মীর কাসেম আলীর লাশ গ্রহণ ও দাফন করতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে আগে থেকেই ছিলেন তার পরিবারের ৪০ জন সদস্য।

এর আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে রাত সাড়ে বারোটার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িবহরের বেষ্টনীতে চারটি অ্যাম্বুলেন্স মীর কাসেম আলীর লাশ নিয়ে বের হয়ে মানিকগঞ্জের পথে রওনা হয়।

শনিবার রাত ১০টা ৩০মিনিটের দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে কাশিমপুর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক কারাগারের সামনে অপেক্ষামান সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

তবে পরে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।