× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মাদকের বিষাক্ত ছোবলঃ এক সময়ের সম্ভাবনা যুবক এখন পাগল প্রায়

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৯

মোঃ মাহ্ফুজার রহমান মাহ্ফুজ, ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম): মাদকের বিষাক্ত ছোবলে এখন পাগল প্রায় পরিমল চন্দ্র রায়(২৭)।
ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা (শাহ বাজার)গ্রামের মৃত রাজেন্দ্র নাথ রায়ের ৩য় পুত্র সে। তার বাবা পেশায় ছিলেন একজন বাদ্যকর। সেই সুবাদেই পরিমল বেড়ে ঢাক, ঢোল আর তবলা নাড়াচাড়ার মধ্যদিয়েই তার পিতার কাছে অন্যান্য ছেলেদের তুলনায় একটু বেশিই প্রিয় ছিল। আর সে কারনেই তিনি জীবনের সমস্ত সাধনা প্রয়োগের মাধ্যমে পরিমলকে একজন দক্ষ বাদ্যযন্ত্র শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখেন।কিশোর পরিমলও বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে মনোযোগ সহকারে তবলার বিভিন্ন তালের দীক্ষা নিতে থাকে।আর অল্প দিনের মধ্যেই পরিমল হয়ে ওঠে একজন দক্ষ তবলা বাদক। জয় করেন উপজেলার শ্রেষ্ঠ তবলা বাদকের স্হান। চারিদিকে পরিমলের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে প্রিয় একটি নাম হয়ে ওঠে পরিমল।বাংলাদেশ বেতার রংপুর এর বিভিন্ন  অনুষ্ঠানে সে সফলতার সহিত অংশ গ্রহন করে।সদ্য যৌবনে পা রাখা পরিমলকে নিয়ে গর্ববোধ করে তার পরিবার।
কিন্তুু পরিমলকে ঘিরে তার পরিবারের গর্ব ম্লান হতে বেশি সময় লাগে নি।সকলের অগোচরে পরিমল প্রবেশ করে নেশার জগতে। পরিবারের শতচেষ্টার পরেও তাকে নেশার কড়াল গ্রাস থেকে বের করে আনতে পারে নি।ছেলের এমন অবস্হা দেখে তার বাবা চিন্তায় চিন্তায় অসুস্হ্য হয়ে মারা যান।বাবার মৃত্যুর পরে পরিমলের গাঁজা সেবনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।দিনে দিনে সে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে।এদিকে পিতার মৃত্যুর পরে  বড় দুই ছেলে পৃথক হয়ে যাওয়ায় পরিমলের দেখাশুনার দায়িত্ব তার বিধবা মায়ের কাঁধেই বর্তায়।তার মা জানায় মাদকাসক্ত ছেলেকে নিয়ে এই বৃদ্ধ বয়সে সীমাহীন কষ্টের মধ্যে  আছেন।একদিকে অভাবি সংসার অপর দিকে নেশাগ্রস্হ ছেলের চিকিৎসার খরচ।ছেলেকে নেশা থেকে বিরত রাখতে তার হাতে ও পায়ে শিকল বেঁধে ঘরে আটকে রাখেন।সর্বনাশা নেশার কারনেই পরিমল আজ পাগল প্রায়।তবে উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি জানান।এ সময় পরিমলের সুচিকিৎসার জন্য সহৃদয়বান সকলের প্রতি সাহায্যের  আবেদন জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..