× Banner
সর্বশেষ
জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরাকে ৮ সেনা নিহত বেনাপোলে ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক বেনাপোলে জোরদার নির্বাচনী গণসংযোগ: জনতার দোয়ার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক ইমদাদ পাক-অধিকৃত কাশ্মিরে নির্বাচন বর্জন ঘিরে সংঘর্ষ, বহু হতাহতের দাবি

বোরকা পরে কেন পার্লামেন্টে ‘মুসলিমবিরোধী’ সংসদ সদস্য?

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
দীর্ঘদিন ধরেই মুসলিম নারীদের ধর্মীয় পোশাক বোরকার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে আন্দোলন করে আসছিলেন তিনি। ‘মুসলিমবিদ্বেষী’ হিসেবেও খেতাব আছে তার। অস্ট্রেলিয়ার এই নারী সংসদ সদস্য হঠাৎ করেই বোরকা পরে হাজির হয়েছেন পার্লামেন্টে! আসলে এই বেশে তিনি এসেছেন ইসলামি পোশাকটির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানাতেই।

অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমবিরোধী এবং অভিবাসনবিরোধী দল ওয়ান ন্যাশন পার্টির সংসদ সদস্য পলিন হ্যানসন অন্য সিনেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বোরকা পরে নিজের মুখমণ্ডল ঢেকে পার্লামেন্ট অধিবেশনে হাজির হন। ওই অবস্থায় ২০ মিনিট বসে থাকেন। এরপরই তা খুলে ফেলেন।

অবশ্য এভাবে বোরকার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানান দিতে গিয়ে সমালোচনায় পড়েছেন এই নারী। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষমতাসীর টার্নবুল সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে সিনেটে অ্যাটর্নি জেনারেল জর্জ ব্র্যান্ডিস ওয়ান ন্যাশন পার্টিকে জানিয়ে দেন, বোরকা নিষিদ্ধ করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।

এদিকে মুসলিমবিরোধী ওই নারী সংসদ সদস্য বলেছেন, ‘আমি এটা খুলে ফেলে খুবই খুশি। পার্লামেন্টে এর অনুমোদন থাকা উচিৎ না। কেউ হেলমেট পরে ব্যাংকে বা ভবনে, এমনকি কোর্টে এলে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তাহলে বোরকা পরলে কেন সরিয়ে দেয়া হবে না?’

তার এই বক্তব্যের জবাবে ব্র্যান্ডিস বলেন, ‘মুসলিম সম্প্রদায়কে অপমান করা, তাদের সমাজের একপাশে ঠেলে দিয়া এবং এই পোশাক নিয়ে তামাশা করা জঘন্য কাজ।’ পলিন হ্যানসনের এই কাজকে ‘ভণ্ডামী’ বলে আখ্যায়িত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলীয় সদস্যরাও। তারা বলেন, বর্তমানে দেশটিতে ৫ লাখ মুসলিম বসবাস করছে। তাদের কাছে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের দেশ। বিরাট এই সম্প্রদায়কে কোনঠাসা করে রাখা যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..