বেনাপোল কাষ্টমস হাউজে অফিসারদের আবাসিক ভবনে ৬ ডজন সুন্দরী যুবতী

বেনাপোল প্রতিনিধি:অর্থেরকাছে হারমানিয়ে বেনাপোল কাষ্টমস হাউজে প্রায় ৬ ডজন যুবতী কাষ্টমস কর্মকর্তাদের লোক দেখানো রান্নার কাজের পাশাপাশি কর্তাদের রক্ষিতা হিসাবে রয়েছে কাষ্টমস হাউজে।
বৃহত্তর এ কাষ্টমস হাউজে প্রতি অফিসারের রান্নাবান্নার কাজের ফাঁকে ফাঁকে তাদের মনোরঞ্জনের কাজ করে থাকে এসব যুবতীরা।

২০ থেকে ৩৫ বছরের ভিতর এসব যুবতীরা কাকডাকা ভোরে বোরখা পরে কাষ্টমস হাউজে প্রবেশ করে। এবং সারাদিন সেখানে রান্না সহ অফিসার ও কাষ্টমস সিপাইদের অন্যান্য কাজ শেষে তারা সন্ধ্যার পর কাষ্টমস হাউজ থেকে আবার তাদের পুর্বের পোশাকে বের হতে দেখা যায়।
নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানায়, এসব যুবতীদের মাসে ৯/১০ হাজার টাকা বেতনের পাশাপাশি অফিসারেদের মনোরঞ্জনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আয় হয়ে থাকে। আর এসব যুবতীরা অভাব অনটনের সংসারে দরিদ্র পিতা মাতা দরিদ্র স্বামী সংসার ও ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যাতের কথা চিন্তা করে নিরবে নিভৃতে তাদের সর্বোস্ব বিলিয়ে দিচ্ছে এসব কাষ্টমস কর্মকর্তাদের কাছে।
আবার অনেক কাষ্টমস ইন্সপেক্টর ও সেপাইদের কোন কোন মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করতে ও দেখা গেছে। সুন্দরী এসব মেয়েরা বেনাপোল সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে কাষ্টমস হাউজে নাম মাত্র কাজের অছিলায় প্রবেশ করে তাদের মনোরঞ্জনের কাজ করে থাকে।

অফিসারদের পরিবার নিয়ে থাকার ব্যাবস্থা থাকলে ও তা না থেকে এরা এক একজন একটি করে মেয়েকে তাদের কাজের জন্য রেখে দিয়ে তাদের দিয়ে সব কাজ করে থাকে।
কোন কোন অফিসার মাদক সেবন করে এসব মেয়েদের সাথে সকাল সন্ধ্যা এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে মিলিত হয় বলে সুত্র দাবি করে। অবৈধ টাকা উপার্জনে কাষ্টমস হাউজে এসব কর্মকর্তাদের নৈতিকচরিত্র অধ:পতন এতটা নিন্ম পৌছে যে এখানে সবার মুখে মুখে রটে গেছে।

সাধারন লোক কিছু বলতে পারে না কারন এখানে বেশীর ভাগ লোক ব্যাবসার সাথে জড়িত। কাষ্টমস কর্তাদের কাছে যাওয়া আসা করতে হয় ব্যাবসায়িক বিভিন্ন কাজের জন্য।
সম্প্রতি জনৈক সুপার একটি মেয়েকে নিয়ে মদ খেয়ে তার আবাসিকে হাতে নাতে ধরা পড়ার পর মেয়েটির চাকরি চলে গেছে। কিন্তু বহাল তাবিয়তে আছে রাজস্ব এ কর্মকর্তা।

তামিম হোসেন সবুজ

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।