× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৫ আগস্ট ও ১৫ আগস্টকে ঘিরে কোন শঙ্কা নেই-খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মন্ত্রিসভায় ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন

বিশ্বব্যাংক পরিবেশ উন্নয়নে সহায়তা দিতে চায়

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে পরিবেশ উন্নয়ন খাতে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে সফররত বিশ্বব্যাংকের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক পাওলা ক্যাবালেরো। বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর বাংলাদেশে এটি তার প্রথম সফর। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি মার্টিন রামা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের এই কর্মকর্তা দুই বছর ধরে ব্যাংকটির গ্লোবাল পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখছেন। বাংলাদেশে পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে চান তারা। কীভাবে এ ভূমিকা রাখা যাবে, তা নিয়ে কথা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০০৯ থেকে পরিবেশ রক্ষায় কর্মসূচি নিয়েছি। তখনও আন্তর্জাতিক কোনো তহবিলও গঠন হয়নি। এখনতো অনেক তহবিল গঠিত হয়েছে। গত সাত বছরে এ খাতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তাদের বলেছি তোমরা যদি তহবিল যোগান দিতে চাও তা হলে তোমরাই ঠিক কর কোথায় এবং কীভাবে দেবে।

মুহিত বলেন, আমরা পরিবেশ উন্নয়নে বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন সৃষ্টি, দেশজুড়ে বৃক্ষরোপন ও মাছচাষসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। সরকার পরিবেশ নিয়ে অত্যন্ত সজাগ।

সুন্দরবন নিয়ে বিশ্বব্যাংক খুব চিন্তিত। এ প্রসঙ্গে কোন কথা হয়েছে কিনা। এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না সুন্দরবন নিয়ে তাদের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তবে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট নিয়ে কথা হয়েছে। সুন্দরবন থেকে যেভাবে সুন্দরি গাছ কাটা হচ্ছে, তাতে সুন্দরবন খুবই ঝুঁকির মধ্যে আছে। দিন দিন সুন্দরবন ছোট হয়ে আসছে। এটা আমদের জন্য খুবই চিন্তার বিষয়।

মুহিত বলেন, পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পাওয়া যেতে পারে। একটি দেশে যেখানে মোট ভূমির ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ বন থাকা উচিত সেখানে আমদের ৯ শতাংশও নেই। গৃহস্থালী কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার থেকে নিরুৎসাহিত করতে এরই মধ্যে এলপি গ্যাস সহজলভ্য করা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, অনেকেই রামপাল বিদ্যুৎ স্থাপিত হলে সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশংকা করছেন। তারা কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলছে, যেভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। তবে আমি মনে করি কিছুটা হলেও ক্ষতি হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পর কয়লাবাহী নৌযান যতায়াতে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তাতে কিছুটা হলেও ক্ষতি হবে। ভবিষ্যতে বিকল্প চিন্তা করতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..