× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার

বিভিন্ন ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি পালন করছে -ঐক্য পরিষদ

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩
স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি
দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি পালন করছে।

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি পালন করছে। দেশে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতির মতো সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে। জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি পালন

আজ ১২ এপ্রিল(বুধবার)  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দল আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে থাকে, সব ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সব সময় কাজ করে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। তার সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে রানা দাশগুপ্ত, ডঃ নিম চন্দ্র ভৌমিক, কাজল দেবনাথ, জিতেন্দ্র লাল ভৌমিক, মনিন্দ্র কুমার নাথ, নির্মল কুমার চ্যাটার্জি,নির্মল রোজারিও, ভদন্ত সুনন্দ প্রিয়, মিলন দত্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে আওয়ামী লীগ কথা রাখেনি সংখ্যালঘুদের

উল্লেখ্য, শনিবার(৭ জানুয়ারি) রমনা কালী মন্দির সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রানা দাশগুপ্ত বলেছিল, আপনারা আমাদের গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করবেন, এই ব্যবহার আমরা আর আপনাদের করতে দেব না। আমরা বলতে চাই, আপনারা আমাদের কী দেবেন, আমাদের থেকে কী নেবেন, এই সমঝোতা আজকে প্রয়োজন গণতন্ত্রের স্বার্থে।’ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র এক বছর বাকি। অথচ সরকারি দলের নির্বাচনী ইশতেহারের সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর স্বার্থবান্ধব প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে আজও  কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়নি, যা খুবই হতাশাব্যঞ্জক।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেছিলেন, সারা দেশ থেকে এই কনকনে শীতে আনন্দ করতে হাজারো মানুষ ঢাকায় উপস্থিত হননি। তাঁরা তাঁদের যন্ত্রণার কথা বলার জন্য এসেছেন। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি।

সমাবেশে মহিলা ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সাত দফা দাবি পেশ করে আসছি। ২০১৮ সালে সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে আমাদের আশ্বাস দিলেও তার কোনও বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা অবিলম্বে আমাদের দাবির বাস্তবায়ন চাই। আমরা আর অবহেলিত হতে চাই, নির্যাতিত হতে চাই না। আমরা সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র চাই না, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই!


এ ক্যটাগরির আরো খবর..