× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোল : দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল সহ শার্শা উপজেলায় আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিপর্যয়। অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ না থাকায়  দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে  কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুতের অভাবে মন্থর হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল। থমকে যাচ্ছে সকল কার্যক্রম। নিয়মিত লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এখানকার কাস্টমস হাউজ, বন্দর, চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন, আবাসিক এলাকা, থানা, পাঁচ শতাধিক সিএন্ডএফ এজেন্ট, অসংখ্য সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, দোকানপাটসহ নানা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়। আগে শুধুমাত্র সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লোডশেডিং হলেও বর্তমানে ভোর থেকে শুরু হচ্ছে লোডশেডিং। এছাড়াও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনা ব্যাঘাত ঘটছে। ছাত্রছাত্রীরা প্রচন্ড গরম ও বিদ্যুতের অভাবে পড়াশুনা করতে পারছে না।

এ স্থলবন্দরে প্রতিদিন লোড-আনলোড হয় চার থেকে পাঁচ শ’ ট্রাক পণ্য। কাস্টমস হাউজে প্রতিদিন পণ্য খালাসের জন্য জমা হয় প্রায় দুই থেকে আড়াই শ’টি বিল অব এন্ট্রি। এসব নিয়ন্ত্রিত হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। বিদ্যুত বিভ্রাটের কারণে কম্পিউটার বিভাগ অচল হয়ে পড়ছে। প্রতিদিন ১০ হাজারেরও বেশি কাগজপত্র ফটোকপি করতে হয় আমদানি রফতানি সংক্রান্ত। ফলে আমদানি-রফতানিও ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সেই সাথে সরকারের রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে অন্যতম এ স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম মন্থর হয়ে পড়ছে। এ বন্দরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে শুধু আমদানি-রফতানি কার্যক্রমই ব্যাহত হবে না, এর নেতিবাচক প্রভাব গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের উপরে পড়বে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। বাংলাদেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল হলেও বন্দরটি অনুন্নত। বিদ্যুতের অভাবে জেনারেটর নির্ভর হয়ে পড়েছে বেনাপোল বন্দর। ১৬০টি জেনারেটর বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পরেও বিদুতের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে অনেক কাজ।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর হিসাব অনুযায়ী বেনাপোল বন্দর সাব-স্টেশনের দৈনন্দিন চাহিদা ২০ মেগাওয়াট। সরবরাহ হচ্ছে ৪ থেকে ৬ মেগাওয়াট। তাও দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ দিতে পারছে না পল্লীবিদ্যুৎ। অফিস আওয়ারে বেনাপোল বন্দর বিদ্যুৎ পাচ্ছে ৪-৫ ঘণ্টা। বাকি সময় বিদ্যুৎবিহীন। এ অবস্থা মোকাবেলা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষের দুটি ও কাস্টমসের তিনটি জেনারেটর। বন্দর কর্তৃপক্ষের ২টি জেনারেটরে ২ মেগওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। তবে জেনারেটরের বিদ্যুৎ দিনের বেলা ব্যবহৃত হয় না। জেনারেটর ব্যবহৃত হয় শুধু রাতে। এর ফলে বিদ্যুতের অভাবে দিনের অনেক কাজ ব্যাহত হয়।

বন্দরের একজন কর্মকর্তা জানান, বন্দরের কাজ কম্পিউটার নির্ভর। বিদ্যুৎ না থাকলে কম্পিউটার বন্ধ থাকে। এতে কাজের জট তৈরি হয়। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের জেনারেটর বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যবহৃত হয়। এর বাইরে সিএন্ডএফ এজেন্ট ও বাজারের বিভিন্ন দোকানপাট সচল রাখতে ব্যবহৃত হচ্ছে ভাড়া করা জেনারেটর। তাও সরবরাহ করা হচ্ছে সন্ধ্যা থেকে রাতে ১০টা পর্যন্ত। সিএন্ডএফ এজেন্টেরদের অফিসে প্রায় ১৫৫টি জেনারেটর বিদ্যুতের অভাব পূরণ করছে। স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে জেনারেটর বসিয়ে কাস্টমস হাউজের ডিউটি সংক্রান্ত চালানসহ ব্যাংকের অন্যান্য কাজ করা হচ্ছে। এতে খরচ বাড়ছে সকলেরই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..