পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ নিয়ে চীনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে নেপাল। দেশটিতে এখনও বিআরআই প্রকল্প কার্যকর হয়নি বলে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং পর্যটন বিষয়ক কমিটিতে প্রদত্ত ভাষণে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এনপি সাউদ বলেন, বিআরআই প্রকল্প এখনও কার্যকর হয়নি নেপালে। নেপাল শুধু বিআরআই স্বাক্ষর করেছে। এর প্রেক্ষিতে কোনো বাস্তব পরিকল্পনা ও উদ্যোগ এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
উল্লেখ্য, নেপালে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চেন সং সম্প্রতি দাবি করেছেন, নেপালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) অধীনে পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মিত হয়েছে। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এনপি সাউদ। চীনা রাষ্ট্রদূত এর আগে জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, সম্প্রতি শেষ হওয়া পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি বিআরআই প্রকল্পের ফলাফল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এনপি সাউদ স্পষ্টভাবে এটি অস্বীকার করে উল্লেখ করেছেন যে, নেপাল ২০১৭ সালে বিআরআই-এর জন্য চীন সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করলেও, চুক্তি অনুযায়ী কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। তবে গত সপ্তাহে প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ দেয়ার সময় নেপালি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এনপি সাউদ ব্যাখ্যা করেন যে, বিআরআইয়ের অধীনে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি নেপাল ও চীনের মধ্যে আলোচনার পর্যায়ে আছে। বিআরআইয়ের অধীনে নেপালে একটিও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি। এর অধীনে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয় বিবেচনাধীন আছে।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপালে একের পর এক প্রকল্প বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে সম্পন্ন হয়েছে বলে একতরফাভাবে দাবি করে যাচ্ছে চীন। এর ফলে নেপালের কূটনৈতিক মহলে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে।
খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড নতুন বিমানবন্দর উদ্বোধনকালে চীন ওই দাবি করে। আবার ২২শে জুন নেপালে চীনের রাষ্ট্রদূত চেন সং টুইটারে লিখেছেন, নেপালে ওয়েচাট পে ক্রস-বোর্ড পেভমেন্ট সার্ভিস উদ্বোধনকে উষ্ণ অভিনন্দন। বিআরআই উদ্যোগের অধীনে ৫টি সংযুক্তির অন্যতম এটা। এটা হলো আর্থিক সংযুক্তির দিকে আরও একটি নতুন পদক্ষেপ।



