প্রবীর শিকদারের সহিত আচরণ মানবাধিকার লংঘনের শামিল

যশোর প্রতিনিধিঃ  মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মত প্রকাশ ও চিন্তার স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকতে হবে। এটাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল। সে জায়গাটি যদি সুরক্ষিত করতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয় তাহলে তা মানবাধিকারের লংঘন।’

তিনি বলেন, সাংবাদিক প্রবীর সিকদার একজন পঙ্গু মানুষ।  তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা মানবাধিকার লংঘনের শামিল। এছাড়া সাংবাদিক শওকত মাহমুদের ব্যাপারের নির্বাহী বিভাগ যথেচ্ছাচার করেছে, যা কাম্য নয়।’ বুধবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত শোক দিবসের সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. মিজান বলেন, ‘প্রবীর সিকাদারকে যে অভিযোগে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে যাব না। কারণ সেটি আদালতের ব্যাপার। কিন্তু তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, হাতকড়া পরা অবস্থায় টানাহেঁচড়া করা হয়েছে এগুলো সভ্যতার পরিচয়ক নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির মর্যাদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে; যা মানবাধিকার লংঘনের শামিল।’সাংবাদিক শওকত মাহমুদের আটকের ব্যাপারে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিশ্চয়ই রাষ্ট্র এমন কিছু করবে না যা মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রতি আক্রোশ বা বিদ্বেষ প্রকাশিত হয়। যদি কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে আইনি ও বিচার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। এরপর তিনি দোষী না নির্দোষ সেটা সাব্যস্ত করতে হবে। তার আগে কারো ব্যাপারেই যেন কোনো ধরনের উপসংহার টানা না হয়; বিশেষ করে নির্বাহী বিভাগ থেকে উপসংহার টানা না হয় সেটা আমরা প্রত্যাশা করি।’

পরে বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে শোক দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নেন মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান। সভায় তিনিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আলোচনায় অংশ নেন। আলোচকরা বঙ্গবন্ধুর অবশিষ্ট খুনিদের  দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকরে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।