× Banner
সর্বশেষ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটালীপাড়ায় বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার, শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো আরও ৭০ শয্যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে লজিস্টিক ব্যয় হ্রাসের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

পুরুষদের থেকে নারীরা বেশিদিন বাঁচে কেন

Biswajit Shil
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০১০ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, ৫৩ হাজার ৩৬৪ জন ব্যক্তিকে পাওয়া যায় যাদের বয়স ১০০ বছরেরও বেশি। তবে সারা বিশ্ব জুড়ে, পুরুষের চেয়ে নারীদের আয়ুষ্কাল বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর তথ্য অনুসারে, বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ বছর। কিন্তু নারী ও পুরুষের আয়ুষ্কাল আলাদাভাবে তুলে আনার পর দেখা যায় নারীদের গড় আয়ু ৭৪ বছর দুই মাস, অন্যদিকে পুরুষদের গড় আয়ু ৬৯ বছর আট মাস।

অনেকে প্রশ্ন করেন, নারীদের মধ্যে এমন কি আছে যার কারণে তারা পুরুষদের চাইতে গড়ে বেশি সময় বাঁচেন?

মাতৃগর্ভে পুরুষ ভ্রুণে পরিপূর্ণ গড়নের পরিপক্কতা আসে না।শিশু জন্মের পরও দেহের পরিপক্কতা আসতে অনেক সময় লাগে।অন্যদিকে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে নারী ভ্রূণ মাতৃগর্ভ থেকে পরিপূর্ণতা পায়।ফলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হয়।এতে তাদের আয়ু দীর্ঘ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী শিশুর দেহে থাইরক্সিন নামক হরমোন উৎপাদিত হয় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নারীদের সুস্থ থাকতে সহায়তা করে ।কিন্তু পুরুষদের হরমোনগুলো অসামঞ্জস্যতার কারনে রোগ প্রতিরোধেও কম সাহায্য করে। পুরুষদের এই হরমোনের কারণে তারা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে উৎসাহী হয়, যেমন লড়াই করা, খুব দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল বা গাড়ি ড্রাইভিং এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও পুরুষের মধ্যে বেশি থাকে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ডেভিড জেমস বলেছেন, ” নারী ভ্রূণের চেয়ে পুরুষ ভ্রূণ বেশি হারে মারা যায়।”এর সম্ভাব্য কারণ নির্ভর করে লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমগুলোর কার্যকলাপের ওপর।

এছাড়া ধূমপান, মদ্যপান ও অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ওপরও নির্ভর করে কে কতো বছর বাঁচবে সেটা।যেমন রাশিয়ান পুরুষ, রাশিয়ার নারীদের চেয়ে ১৩ বছর আগে মারা যায়, কারণ রাশিয়ার পুরুষরা প্রচুর মদপান করে থাকে।

পুরুষরা প্রায় সময় বিভিন্ন মানসিক চিন্তায় ভোগে। এটি তাদের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।বিভিন্ন দুশ্চিন্তার কারণে তাদের ব্রেইনস্ট্রোক হতে পারে,এটি দীর্ঘজীবনের স্বপ্ন নস্যাৎ করে দেয়।

তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ভবিষ্যতে নারী ও পুরুষের মধ্যে আয়ুষ্কালের এই ব্যবধান আর থাকবেনা।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে ২০৩০ সাল নাগাদ নারী ও পুরুষের মধ্যে আয়ুষ্কালের ফারাক খুব কমে যাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..