পাঠ্য বইয়ে এই লেখাটা আসলো কিভাবে!

‘মংডুর পথে’ শীর্ষক একটি ভ্রমণ কাহিনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অষ্টম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবই সাহিত্য কণিকা’য়। কথাসাহিত্যিক বিপ্রদাস বড়ুয়ার লেখা এ ভ্রমণ কাহিনীর একাধিক জায়গায় আরাকানের রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া অভিবাসী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে লেখাটি আলোচনায় উঠে এসেছে। ইতিহাসবিদরা বলছেন, পাঠ্যবইয়ে এ লেখাটি নির্বাচন সঠিক হয়নি। এটা পাঠ্যবইয়ে থাকা উচিত নয়। ‘মংডুর পথে’ ভ্রমণ কাহিনীর এক জায়গায় লেখা হয়েছে- ‘ছোটবেলা থেকে চট্টগ্রামের পাশে অপরূপ মিয়ানমারের কথা শুনে এসেছি রূপকথার গল্পের মতো। সারা মিয়ানমারে আমাদের রিকশার বদলে পাইক্যা। স্থানীয় মুসলমানরা এর একচেটিয়া চালক। মংডুর ব্যবসাও প্রায় ওদের দখলে, আর হিন্দুরাও আছে। এরা চট্টগ্রাম থেকে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরে আছে।’ অন্য জায়গায় লেখা হয়েছে, ‘ওখান থেকে একটু এগিয়ে চায়ের দোকানে ঢুকলাম। মালকিন বসে আছে চেয়ারে। রোয়াইংগা মুসলিম বয় আছে দুজন। ওরা মূলত চট্টগ্রামের।’ আরেক জায়গায় লেখা হয়েছে, ‘রান্নাঘর থেকে ছুটে এলো একটা মেয়ে। বাঙালি। লুঙ্গি এবং কোমর ঢাকা ব্লাউজ পরেছে। মেয়েটি দিব্যি চট্টগ্রামী ভাষায় এটা-ওটা আছে জানিয়ে রাখতে লাগলো। ওর নাম ঝরনা। পূর্বপুরুষের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে।’


লেখকঃ সাংবাদিক রাজিব শর্মা

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।