নিউজ ডেস্কঃ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার ছিল না। শুধুমাত্র সংরক্ষিত আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী হয়েই সংসদে যাওয়ার সুযোগ ছিল।
২০০২ সালে সংবিধান সংশোধন করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার দেন তৎকালীন পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ। তারপর গত ১৬ বছরে এই প্রথম পাক পার্লামেন্টে গেলেন কোনো হিন্দু প্রার্থী।
পাকিস্তান জাতীয় নির্বাচনে এ বারই সর্বোচ্চ সংখ্যক হিন্দু সম্প্রদায় থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- ১. মুকেশ কুমার চাওলা (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ২. জ্ঞান চাঁদ ঈশরানী (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ৩. রানা সিং (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ৪. নন্দ কুমার গোকলানি (পাকিস্তান মুসলিম লীগ) ৫. হরি কুমার রাম কিশোরী লাল (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ৬. লাল চান্দ ওকরানী (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ৭. সঞ্জয় কুমার গাঙয়ানি (তেহরিক-ই-ইনসাফ) ৮. মংলা শর্মা (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ৯. মহেশ কুমার মালহি (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ১০. সঞ্জয় পেরওয়ানি (মুত্তাদিহা কওমি মুভমেন্ট) ১১. লাল চান্দ মালহি (তেহরিক-ই-ইনসাফ) ১২. রামেশ লাল ভাস্কওয়ানি (পাকিস্তান মুসলিম লীগ) ১৩. রামেশ লাল শাহদাদকট (পাকিস্তান পিপলস পার্টি) ১৪. দর্শন লাল পুন্সি (পাকিস্তান মুসলিম লীগ) ১৫. খেয়াল দাস কোহিস্তানি (পাকিস্তান মুসলিম লীগ) এবং ১৬. জয় প্রকাশ ওকরানী (তেহরিক-ই-ইনসাফ)।





