× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

নারায়ন দেবনাথ

নিষিদ্ধ রাইফেল কাদের হাতে ছিলো

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
নিষিদ্ধ রাইফেল কাদের হাতে ছিলো

সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেছিলেন, সবাই পুলিশের গুলিতে মারা যায়নি। চারশো’য়ের মতো লোক 7.62 বোর রাইফেলের গুলিতে মারা গিয়েছে যা পুলিশ ব্যবহার করে না। করে নিষিদ্ধ জঙ্গিরা। এই কথা জনসমক্ষে বলার পরই সাখাওয়াত হোসেনকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিলো।
তাহলে এই গনঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে অর্ধেক লোক যদি 7.62 বোরের নিষিদ্ধ রাইফেলের গুলিতে মৃত্যু হয়ে থাকে তাহলে কাদের হাতে এই সব নিষিদ্ধ অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছিলো? কে তুলে দিয়েছিলো?
তাহলে কি অভ্যুত্থানের আগে পরিকল্পিতভাবে এই রাইফেল নির্দিষ্ট লোকেদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছিলো। আন্দোলনের সময় কিছু ছবি দেখে এমনই মনে হয়েছে।মুখে দাড়ি মাথায় টুপি গায়ে পাঞ্জাবি হাতে রাইফেল। তাহলে তাদের হাতেই কি নিষিদ্ধ রাইফেল তুলে দেয়া হয়েছিলো? এনিয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তদন্ত করার কথা বলেছিলেন।
কোটা আন্দোলনে কম বেশি ৩৫০কোটি টাকা খরচ হয়েছিলো বলে খবর। কোটা আন্দোলনের সময় আমেরিকা বৃটেন সুইডেন এবং জার্মানির কূটনীতিকরা কোটা আন্দোলনের আগে এবং আন্দোলন চলাকালিন কয়েকবার আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক করেছিলেন। এমনকি কয়েকজন ছাত্রনেতাকে দূতাবাসে ঢুকার জন্য স্পেশাল পাশও ইস্যু করা হয়েছিলো। আন্দোলনের আগে জামাত নেতাদের সাথে মার্কিন দূতাবাসের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছিলো। ঢাকায় নিযুক্ত প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এক রাজাকার পরিবারের সাথে দেখাও করতে গিয়েছিলেন।
ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভেতরে ভেতরে যে সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র চলছিলো তা এখন দিবালোকের মতো পরিস্কার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনৈতিক ভাবে সরকার ফেলার জন্য United state Aid এর মাধ্যমে বিপুল টাকা খরচ করে থাকে। ঠিক যেভাবে নিকারাগুয়া ভিয়েতনাম ব্রাজিল ও ভেনিজুয়েলার মতো দেশে আমেরিকা সরকার ফেলার জন্য ছক কষেছিলো বলে জানা যায়।
ছাত্রদের একটি আন্দোলনে বিদেশি দূতাবাসের কূটনীতিকরা যখন হস্তক্ষেপ করে তখন এই আন্দোলন যে স্বাভাবিক ছিলো না তা বলাই বাহুল্য। ছাত্রনেতারা কি সব ভুলে গেলেন ? কোটি কোটি টাকা নিষিদ্ধ সব অস্ত্র দূতাবাসে ঢুকার স্পেশাল পাশ। এ-সবই কি উপদেষ্টা হওয়ার জন্যই করেছিলেন? এ-সবই চিত্রগুপ্তের খাতায় লিখা হয়ে গিয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..