একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ২০২১ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত ২১ বিশিষ্ট নাগরিকদের হাতে একুশে পদক তুলে দেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
এবছর একুশে পদক পেলেন যারা-
১. ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর একুশে পদক সম্মাননা পেয়েছেন মোতাহার হোসেন তালুকদার (মোতাহার মাস্টার)।
২. ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন শামছুল হক।
৩. ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)।
৪. শিল্পকলায় (সংগীত) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন বেগম পাপিয়া সারোয়ার।
৫. শিল্পকলায় (অভিনয়) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ।
৬. শিল্পকলায় (অভিনয়) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন সালমা বেগম সুজাতা (সুজাতা আজিম)।
৭. শিল্পকলায় (নাটক) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন আহমেদ ইকবাল হায়দার।
৮. শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন সৈয়দ সালাউদ্দীন জাকী।
৯. শিল্পকলায় (আবৃত্তি) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।
১০. শিল্পকলায় (আলোকচিত্র) অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন পাভেল রহমান।
১১. মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন গোলাম হাসনায়েন।
১২. মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ফজলুর রহমান খান ফারুক।
১৩. মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা ইসাবেলা।
১৪. সাংবাদিকতায় অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন অজয় দাশগুপ্ত।
১৫. গবেষণায় অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা।
১৬. শিক্ষায় অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন বেগম মাহফুজা খানম।
১৭.অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ড. মির্জা আব্দুল জলিল।
১৮. সমাজসেবায় অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান।
১৯. ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন কবি কাজী রোজী।
২০. ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন বুলবুল চৌধুরী।
২১. ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন গোলাম মুরশিদ।


