× Banner
সর্বশেষ
জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরাকে ৮ সেনা নিহত বেনাপোলে ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক বেনাপোলে জোরদার নির্বাচনী গণসংযোগ: জনতার দোয়ার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক ইমদাদ পাক-অধিকৃত কাশ্মিরে নির্বাচন বর্জন ঘিরে সংঘর্ষ, বহু হতাহতের দাবি

তুলে নিয়ে নদীর চরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, মুখ খুললে হত্যা হুমকি শামসুলের

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
নদীর চরে নাবালিকাকে ধর্ষণ

দেবাশীষ মুখার্জী, কূটনৈতিক প্রতিবেদক: জোর করে তুলে নিয়ে নদীর চরে ফেলে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে মহম্মদ শামসুল। মুখ খুললে বা ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয় অভিযুক্ত শামসুল।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ১০ অক্টোবর ভোর রাতে পশ্চিম বঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কুলতুলি থানার মেরিগঞ্জ ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়াপাড়া গ্রামে। নদীর চড়ে ধর্ষিতা নাবালিকাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। তারাই পরিবারের লোককে খবর দেয়। পরিবারের লোক গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে জয়নগর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

কী ভাবে নারকীয় অত্যাচারের ঘটনাটি ঘটেছিল, জানিয়েছে নিগৃহীতা – ভোররাতে সে ঘরের বাইরের বাথরুমে গিয়েছিল। সেইসময় ঐ বাড়ির উপরের পথ ধরে নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছিল অভিযুক্ত মহম্মদ শামসুল। নাবালিকাকে একা পেয়ে তার মুখ চাপা দিয়ে তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত৷ মেয়েটির বাবা দীর্ঘক্ষণ মেয়েকে দেখতে না পেয়ে ডাকাডাকিও করছিল, সেই ডাক শুনতে পাচ্ছিল ধর্ষিতা মেয়েটি৷ কিন্তু সাড়া দেওয়ার মতো শরীরে কোনও জোর পাচ্ছিল না৷

মেয়েটির পরিবার বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মহম্মদ শামসুলরা একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নীরব। উত্তরপ্রদেশে একটি দলিত সম্প্রদায়ের মেয়ে পারিবারিক কলহে নিহত হওয়ায়,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের বর্ণভেদ উসকে দিতে পদযাত্রা করতে পারেন, আগুন ঝরানো ভাষণ দিতে পারেন, কিন্তু মহম্মদ শামসুলদের ধর্ষণের বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দটিও করতেও সাহস পান না।

তারা বলেন, কোথায় আজ রাহুল গান্ধী? কোথায় আজ প্রিয়াঙ্কা রবার্ট? কোথায় সোনিয়া গান্ধীর ভিডিও বার্তা? তারা এখন নর্তন-কুর্দন করছে না কেন? এখন তারা ধর্ষিতা দলিত মেয়েদের বিরুদ্ধে গিয়ে, ধর্ষক মহম্মদ শামসুলদের পক্ষে মৌনতা অবলম্বন করেছে কেন?


এ ক্যটাগরির আরো খবর..