× Banner
সর্বশেষ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ

তালায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় দুর্গোৎসব শুরু

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৬

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি ॥ এক হাতে পঞ্চপ্রদীপ, অন্য হাতে কাসার ঘন্টা। ধুপের গন্ধ বাদ্য বাজনা, ভক্তি আর ভরাট কন্ঠে পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ, আরতি সহ মহাসমারোহে বাঙ্গালী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজা।

আজ ষষ্ঠী পুজার মধ্য দিয়ে দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল শনিবার মহাসপ্তমী পুজা, মহামায়া দেবী আসবেন ঘোড়ায় চড়ে। আগামীকাল মহা ধুমধামের মধ্যে মহাষ্টমী পুজা অনুষ্ঠিত হবে। ৫ দিন ব্যাপী শারদীয় এ দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে আগামী মঙ্গলবার ১১ অক্টোবর ঢাকের বাদ্য শঙ্খ আর উলূধ্বনির সঙ্গে ভক্তকুলের আবাহনের মন্ত্রোচ্চারণে। গতকাল দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার স্বামীগৃহ কৈলাশ থেকে মর্ত্যালোকে আগমন ঘটেছে। বোধনের দিন খুলে গেছে দশপ্রহর ধারীনি ত্রিনয়নী দেবীর স্নিগ্ধ নয়নের পলক।

পুরোহিতের কন্ঠে পুজার মন্ত্রোচ্চারণ, মন্ডপে মন্ডপে ভক্তদের আরতি, ঢাক-ঢোল কাসর মন্দিরের পাশাপাশি সাউন্ড বক্রে শব্দে সারাদেশের ন্যায় তালা উপজেলার সব মন্ডপগুলোই এখন মাতোয়ারা। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই বর্ণিল তোরণের আলোক সজ্জার মহাসপ্তমী রোশনাইয়ে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে মন্ডপগুলো। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে আজ মহাসপ্তমী বিহিত পুজা। সকালে ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হবে। এরপর সকাল ৯। ২৮ মিঃ মধ্যে দেবীর নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন শেষে মহাসপ্তমী পুজা অনুষ্ঠিত হবে। আজ দেবীর (ঘোটকে) ঘোড়ায় আগমন। পুজা শেষে অঞ্জলী প্রদান, প্রসাদ বিতরণ ও ভোগ আরতির আয়োজন থাকবে।

এভাবে উৎসব চলবে আগামী ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার বিজয়া শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জনের আগমুহুর্ত পর্যন্ত। হিন্দু শাস্ত্রমতে দুর্গতিনাশিনী দেবী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মর্ত্যালোকে এসেছেন। জগজ্জননী দেবী দুর্গা প্রতি শরতে স্বামীগৃহ কৈলাশ ছেড়ে পিতৃগৃহে আসেন কন্যারুপে। তার সঙ্গে নিয়ে আসেন দুই কন্যা লক্ষী ও স্বরস্বতী আর দুই পুত্র গণেশ ও কার্তিক কে। কন্যা লক্ষী সমৃদ্ধি ও স্বরস্বতী জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক। কার্তিক হচ্ছেন দেব সেনাপতি শত্রুনাশকারী। গণেশ হচ্ছেন গণদেবতা অর্থাৎ সর্বস্বিদ্ধিদাতা এক কথায় মানুষের কামনা পুরণকারী। এদিকে পুজা উপলক্ষে মন্ডপে মন্ডপে ঢাক ঢোল কাসার ঘন্টা উলূধ্বনি চন্ডীপাঠ সঙ্গীত মিলিয়ে সৃষ্টি হয়েছে এক অন্য রকম আবহ। এ উৎসব এখন শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, সার্বজনীন রুপ নিয়েছে। তাই আবেগ প্রবণ বাঙ্গালী হিন্দুর প্রাণে আছড়ে পড়ল রুপান্তরের ঢেউ। সবার পরশে পবিত্র করা তীর্থ নীড়ে দুর্গাপুজা হয়ে গেল নির্বিশেষ বাঙ্গালী হিন্দুর দুর্গোৎসব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..