ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে স্বাধীনতা দিবস পালিত

ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে স্বাধীনতা দিবস পালিত
ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে স্বাধীনতা দিবস

ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশটির স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় সংগীতের সুরে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানি কমিউনিটির সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশি বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইসহাক দারের পৃথক বাণী পাঠ করা হয়।

বাণীতে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এবং পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগ ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

স্বাধীনতার পর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অর্জন তুলে ধরে দেশের উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঐক্য, বিশ্বাস ও শৃঙ্খলার নীতিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগের কথাও স্মরণ করা হয়। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রসঙ্গে ‘অপারেশন মারক-ই-হক’-এর সাফল্যের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ১৪ আগস্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে পাকিস্তান দিবস পালনের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি

আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলেও অনুষ্ঠানে জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও কাশ্মীরিদের আকাঙ্ক্ষার আলোকে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের হাইকমিশন আয়োজিত ‘পাকিস্তানের ঐতিহাসিক স্থান’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।

পাকিস্তানের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।