“ডেঙ্গু রোগে মৃত্যু হার বাংলাদেশেই সবচেয়ে কম”-স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি

ঢাকা: ২৫ জুলাই, ২০১৯ খ্রি: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, “ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশের সাফল্য বিশে^র যেকোন দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। বিশ্বের  ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইনে প্রায় ৫০০ জন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ায় প্রায় ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে গত জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ৭৭৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হলেও ৫৯৩৮ জন ডেঙ্গু রোগীই দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো থেকে সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে গেছেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু জ¦রে দেশে মাত্র ০৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যদিও প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন, একই সাথে প্রতিদিনই প্রচুর সংখ্যক মানুষ সুচিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন। সুতরাং ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হবার কিছু নাই। ডেঙ্গু রোগে সুচিকিৎসার সব ধরণের ব্যবস্থাপনা সরকারি হাসপাতালে রয়েছে। তবে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধ করতে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে মশা মেরে ফেলতে আরো জোড়ালো ভূমিকা রাখতে হবে।”

আজ ২৫ জুলাই ২০১৯, ঢাকা মেডিকেল কলেজের মিলন অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন কর্তৃক আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে “ডেঙ্গু জ¦রের বর্তমান সময়ের ভয়াবহতা ও কার্যকরী ব্যবস্থাপনার” উপর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কথাগুলো বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি। অধিবেশনে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সভাপতি অধ্যাপক মো. বিল্লাল আলম ও মহাসচিব অধ্যাপক আহমেদুল কবির প্রমূখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

অধিবেশনে দেশে ডেঙ্গু জ¦র নিয়ে বিদ্যমান ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু জ্বরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের অন্যান্য দেশে ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রোগীর মৃত্যু সংখ্যা অনেক বেশি হলেও বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে মেডিসিন চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ডেঙ্গু জ্বরের মৃত্যুর হার ততটা ভয়াবহ নয় বলে আলোচকগণ বলেন। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে আরো সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন রয়েছে বলেও আলোচকগণ উল্লেখ করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
সংবাদ প্রতিনিধি

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।