× Banner
সর্বশেষ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটালীপাড়ায় বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার, শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো আরও ৭০ শয্যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে লজিস্টিক ব্যয় হ্রাসের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক

ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে
ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে

বর্তমানে রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলারের কিছু ওপরে। আইএমএফ, এডিবি, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন সোর্স থেকে আসা ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। তবে জানুয়ারি মাসে আকুর এক বিলিয়ন ডলার দায় পরিশোধ করতে হবে। তখন রিজার্ভ আবারও কিছুটা কমবে।  বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবা উল হল হক।

আজ বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মেজবা উল হক বলেন, চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার দেশের রিজার্ভে যোগ হতে যাচ্ছে।  এর মধ্যে ৬৮৯ দশমিক ৮০ মিলিয়ন ডলার আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে,  এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৯০ মিলিয়ন ডলারসহ অন্যান্য সোর্স থেকে এই অর্থ আসবে।

তিনি বলেন, আইএমএফ এর বোর্ড সভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন হলেও তা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে আগামী শুক্রবারের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে যোগ হবে।

মুখপাত্র বলেন, অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আইএমএফ এর বোর্ডসভায় এ ঋণ ছাড়ের অনুমোদন প্রামণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আইএমএফ। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আগামীতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বোর্ডসভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন করে আইএমএফ।

আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা রয়েছে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য গত জুন ভিত্তিক বিভিন্ন সূচকে শর্ত পালনের অগ্রগতি দেখতে ৪ অক্টোবর আইএমএফের একটি মিশন ঢাকায় আসে। মিশনের নেতৃত্ব দেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..