× Banner
সর্বশেষ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ রপ্তানিতে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চাকরি না খুঁজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হোন – মির্জা ফখরুল দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে – বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

অসম্ভবকে সম্ভব করা বিজ্ঞানীদের যুগে ডায়নোসরদের ফিরে আসার সম্ভাবনা

Ovi Pandey
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০

অভিজিৎ  পান্ডে, দি নিউজ ডেক্সঃ অসম্ভবকে সম্ভব করা বিজ্ঞানীদের যুগে ডায়নোসরদের ফিরে আসার সম্ভাবনা কতটা ? এমন প্রশ্নের সংক্ষেপ উত্তর হল বিজ্ঞানীদের চরম উন্নতির ফলে অসম্ভব বলতে কোন শব্দ নেই। আজ যেটা কল্পনায় থাকে আগামীতে সেটাই বাস্তব করে চলেছে বিজ্ঞানীরা। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে মানুষের কল্পনাকেও হার মানিয়ে চলেছে বিজ্ঞানীরা।

ডাইনোসরকে নিয়ে গবেষণা হয়েছে বিস্তর। অনেকেই প্রশ্ন ছুড়েছেন, একসময় পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো দৈত্যাকার এসব ডাইনোসরদের কী ফিরিয়ে আনা সম্ভব কিনা? শুনতে হাস্যকর মনে হলেও এ সম্ভাবনাকে ‘আজগুবি’ বলে উড়িয়ে দিচ্ছেননা প্রাণী ও বিবর্তন নিয়ে কাজ করা বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের কিছু আবিষ্কারে ডাইনোসরদের ফের পৃথিবীতে জন্মানোর সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাদের হাতে এসেছে জুরাসিক যুগের মশার জীবাশ্ম। যার মধ্যে পাওয়া গেছে প্রাণ সৃষ্টির প্রধান উপকারক ডিএনএ। শুধু তাই নয়, অন্য একটি স্থানে পাওয়া গেছে ডাইনোসরের জীবাশ্ম, যেখানে পাওয়া গেছে রক্তনালী ও কোলাজেন নামে বিশেষ এক ধরনের প্রোটিনের। আর তা থেকেই ক্লোনিং প্রক্রিয়ার ডাইনোসর জন্ম দেওয়ার সম্ভবনা নিয়ে কৌতূহলী বিজ্ঞানীরা।

এ বিষয়ে ব্রিটেনের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনতত্ত্ববিদ জামাল নাসির বলেন, অসম্ভবের কিছু নয়। বিবর্তন প্রক্রিয়ার এমন কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই নেই যে যা হারিয়ে যাবে তা আর কোনোদিন ফিরবেনা। বিবর্তনের গতি কোন পথে যাবে তা আগে থেকে ঠিক করা থাকে না। তাই জীবাশ্ম থেকে ডাইনোসরদের একেবারেই ফিরিয়ে আনা যাবে না, এটা মনে করা বোকামি।

তবে ডাইনোসরদের ফিরে আসার জন্য যথাযথ পরিবেশের প্রয়োজন জানিয়ে বিজ্ঞানীরা জানান, আমাদের জিনোমে হঠাৎ একটা বড়সড় পরিবর্তন ঘটে গেলে পৃথিবীতে আবারও দেখা দিতে পারে জুরাসিক যুগ।

এমন ব্যাখ্যাতে দ্বিমত রয়েছে অন্য বিজ্ঞানীর। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের ভার্টিব্রেট প্যালিয়েন্টোলজিস্ট সুসি মেডমেন্ট বলেন, ডাইনোসর যুগের মশার জীবাশ্মতে জীবন্ত কলার সন্ধান মেলেনি। তাই সেখান থেকে ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা অসম্ভব। রক্তনালী ও কোলাজেন নামে প্রাচীন ওই প্রোটিনে বয়স নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুসি। তিনি বলেন, যে প্রাচীনতম ডিএনএ-র সন্ধান মিলেছে, তার বয়স ১০ লক্ষ বছর। কিন্তু ডাইনোসররা বিলুপ্ত হয়ে গেছে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগে।

তবে অনেকেই বলছেন, বিবর্তনের নিয়মেই ডাইনোসররা হারিয়ে গিয়েছে। বিবর্তন এখনো চলমান। তাই আবার কোন বিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে ডাইনোসর ফিরে আসতে পারে এ কথা অস্বীকার করা যাবেনা। বিজ্ঞানীদের অবদানে রোজ রোজ কল্পনাকে জয় করে চলেছে পৃথিবীর মানুষ আজ যা অসম্ভব আগামীতে সেটাই সম্ভব তাই বলাই যায় আগামীতে আমরা বিলুপ্ত হওয়া প্রানীদের আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে পারবো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..