× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ শৈলকুপায় থানা থেকে ফেরার পথে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

Dutta
হালনাগাদ: সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
jhinaidah

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মীনগ্রামে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের জেরে হাবিবুর রহমান রিপন (৪৫) নামের এক ইউপি সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

রোববার রাত আড়াইটার দিকে আবাইপুর-মীনগ্রামের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিপন আবাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বর ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক।

স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আবাইপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন বিশ্বাস ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালামের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। আবুল কালাম স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল হাই ও হেলাল উদ্দিন বিশ্বাস জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলালের অনুসারী। আবুল কালাম আজাদ শারিরীক ভাবে অসুস্থ থাকায় তার ছেলে রিপন তার দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলো। গত শুক্রবার হেলালের সমর্থকদের সাথে ইউপি সদস্য রিপনের সমর্থকদের মারামারি হয়। এ ঘটনায় পুলিশ উভয় পক্ষের ৪ জনকে আটক করে। রোববার রাতে ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান রিপন শৈলকুপা থানা থেকে মারামারির ঘটনা মিমাংসা করে ফিরছিলো। পথে মীনগ্রামের মাঠের মধ্যে এলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা হেলালের সমর্থকরা তাদের গতিরোধ করে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর যখম করে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৩ টার দিকে মারা যায়। এদিকে মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রাজু আহমেদ বলেন, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..