দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রবল আঘাত হেনেছে। আম্পানের তাণ্ডবে পটুয়াখালী জেলায় এ পর্যন্ত দুইজন ও সাতক্ষীরায় গাছের ডাল পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বুধবার (২০ মে) পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা জেলায় এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
জানা যায়, আজ সকালে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় প্রচারণা চালাতে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) টিম লিডার শাহ আলম (৬০) নৌকা ডুবে নিখোঁজ হলে পরে সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। গলাচিপার পানপট্টি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খরিদা গ্রামে শাহাজাদার ছেলে রাশাদ (০৫) আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় বিকেলে গাছের ডাল পড়ে মারা যায়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বরিশাল থেকে ডুবুরি দলের একটি দল এসে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করে। এবং গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও শাহ রফিকুল ইসলাম বলেন, মৃত শিশুর পরিবারকে সরকারি সব সহযোগিতা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কালামাল নগরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে গাছের ডাল পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে বাইরে ব্যাপক ঝড় হওয়ায় ওই নারীর মরদেহ এখনও উদ্ধার ও তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, আম্পানের প্রভাবে সারাদিনই ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে জেলাজুড়ে। উপকূলীয় উপজেলাগুলো বেশি উত্তাল ঝড়ে।
বাগেরহাট শরণখোলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তাফা শাহীন জানান, বাগেহাটের শরণখোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ হোল্ডারের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের কয়েকশ মিটার ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকেছে। এতে গাবতলী, বগী, দক্ষিণ সাউথখালী, খুরিয়াখালি, চালিতাবুনিয়া গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।



