× Banner
সর্বশেষ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স‌ঙ্গে আইএফআরসির প্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ রপ্তানিতে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চাকরি না খুঁজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হোন – মির্জা ফখরুল দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে – বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

গ্রহাণু  অ্যাপোফিজ এর ধাক্কায় ২০২৯ সালেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী

ডেভিড জে টলেন ও তার সঙ্গীরা সুবারু টেলিস্কোপে ২০০৪ সালে গ্রহাণু (asteroid)  অ্যাপোফিজ ৯৯৯৪২ এর আবিস্কার করেন। তখনই ভবিষ্যৎ বানী করা হয় গ্রহাণু (asteroid)  অ্যাপোফিজ ৯৯৯৪২ এর সঙ্গে ২০২৯ সালেই পৃথিবীর ধাক্কা লাগবে।

কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে ২০২৯ সালে পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেলেও ২০৬৮ সালে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে এই গ্রহানু। আর সেই সংঘর্ষ হলে, ধ্বংস হয়ে যেতে পারে গোটা পৃথিবীর সভ্যতা।

অ্যাপোফিজ নামটি এসেছে প্রাচীন মিশরীয় উপকথা থেকে। উপকথা অনুসারে মিশরের এই দেবতাই মহাজাগতিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়েছিলেন। মিশরের অন্য আরেক দেবতা রা ( সূর্যের দেবতা) এর ভাই তিনি। আকারে যেমন বিশাল তেমনই ভয়ংকর নাগের মত তার গঠনও।

জানা যাচ্ছে সূর্যের আলোর দ্বারা আকর্ষিত হয়ে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সে । জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয়ে থাকে ইয়ারকোভস্কি অ্যাক্লেরেশন। পৃথিবীর যত কাছে আসবে ততই গতি বাড়তে শুরু করবে তার। এবং যদি ২০৬৮ সালে ধাক্কা লাগে তাহলে মানব সভ্যতার নিশ্চিত ধ্বংসের কারন হবে সে।

নাসার হিসাবে এই গ্রহানু নিয়ার আর্থ অবজেক্ট হলেও এখনো পৃথিবীর থেকে অনেকটাই। তবে নাসা এক প্রকার নিশ্চিতই যে ২০২৯ সালে পৃথিবীর সাথে এর ধাক্কা লাগবে না। পাশাপাশি, ২০৬৮ সালে সংঘর্ষ ও পৃথিবীর ধ্বংসের কথাও বেশ জোর দিয়ে বলছে নাসা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..