× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী

গাংনীর তিন সহোদর হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি দুই জনের যাবজ্জীবন

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের তিন সহোদর হত্যা মামলায় জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ভারতে পলাতক দুখু বাহিনী প্রধান দুখুর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় দুখুর সহযোগী আজিমুদ্দীন ও চেতন আলীকে যাজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিজ্ঞ বিচারক টি.এম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে ওই আদেশ দেন। ৩২ জন আসামির মধ্যে তিন জন দন্ডিত এবং বাকিরা বেকুর খালাস পেয়েছেন। এর মধ্যে দুখু ও তার সহযোগী আজিম উদ্দীন ভারতে পলাতক রয়েছেন। চেতন আলী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের ৩০ আগষ্ট রাতে গাংনী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী ধলা গ্রামে এক কিলিং মিশনে ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক ও তার ভাই জাহিদুল ইসলাম এবং রুহুল আমিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

হত্যাকান্ডের পরদিন নিহত ইমদাদুল হকের স্ত্রী রেনুকা খাতুন বাদি হয়ে বাহিনী প্রধান দুখুকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর দুখুসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গাংনী থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলায় ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ওই রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে রায় ঘোষণার পর বাদি পক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রায়ে প্রধান আসামির ফাঁসির আদেশ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মেহেরপুর জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বেকসুর খালাস হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল মতিন, অ্যাডভোকেট শহীদুল্লাহ ও অ্যাডভোকেট শাহীনুর রহমান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..