× Banner
সর্বশেষ
আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে স্পেনের ফুটবল জাদুতে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ, FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ শিরোপা লা রোজার ঘরে বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার হবে – আইনমন্ত্রী অসুস্থ এমপি সাবেরা নাজমুনকে দেখতে গেলেন বেনাপোল পৌর বিএনপি নেতৃবৃন্দ: রোগমুক্তি কামনা বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও’র মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক সরকারি গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকার মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

খাদ্যগুদামের ওসিএলএসডি প্রবোধ পালের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর খাদ্যগুদামের ওসিএলএসডি প্রবোধ পালের বিরুদ্ধে এই সাথে ৩টি সরকারি কোয়ার্টার ভোগদখলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক যশোর এর আস্থাভাজন হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত তিনি কোয়ার্টগুলো দখল করে রেখেছেন। উদ্ধর্তন কর্তপক্ষের এ ব্যাপারে কোন মাথাব্যথা নেই।

অভিযোগে জানা গেছে, প্রবোধ কুমার পাল খাদ্য বিভাগের দারোয়ান পদে চাকরি করতেন। র্দীঘদিন ওই পদে চাকরি পর পদোন্নতি পেয়ে  উপখাদ্য পরিদর্শক পদে প্রমোশন পেয়েছেন। পরে পরিদর্শক সমিতির নাম ভাঙ্গিয়ে তিনি কেশবপুরের গুদামের ওসিএলএসডি হিসাবে যোগ দেন। এর পর থেকে তিনি একই সাথে ৩ টি সরকারি কোয়ার্টার ভোগ করতে শুরু করেন। যশোর সদর গুদামের ঝুমঝুমপুর ক্যাম্পাসের ২ নং ও ৩ নং কোয়াটার (নীচ তলারপূর্ব এবং উপর তলার পশ্চিম পাশ্বের)উপরে সস্ত্রীক এবং নীচে ছেলে এবং মোটর সাইকেল থাকে। এছাড়া কেশবপুরে তার নামে একটি কোয়ার্টার রয়েছে। ঝুমঝুমপুরস্থ খাদ্য বিভাগীয় কোয়াটারের নীচতলার ৩নং ঘরটিতে মাঝে মধ্যে পানাহারের আসর বসানো হয়। সেখানে প্রধান যশোর সদর ও শার্শা উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শার্শার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সত্যেন বিশ্বাস ও খুলনায় কর্মরত একজন কর্মকর্তাকে কালেভন্দ্রে দেখা যায় ওই  আসেরর অতিথী হিসেবে। কোন অদৃশ ক্ষমতাবলে একজন উপখাদ্য পরিদর্শক তিন তিনটা সরকারী কোয়াটার জবর দখলে রাখতে পারেন তা অনুসন্ধানের দাবী রাখে।

সুত্র বলছে, যশোর সদর উপজেলার আলোচিত খাদ্য কর্মকর্তার আস্তাভাজন হওয়ায় প্রবোধ পালের  বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না। কাগজ কলমে তার নামে কেশবপুরে একটি কোয়ার্টার বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়া যশোর সদর উপজেলার কোয়ার্টার দুটি তিনি জবর দখল করে রেখেছেন। যার কোন ভাড়া তার কাছ থেকে নেয়া হয় না। অন্য ষ্টাফদের নামে ভুয়া বরাদ্দ দেখিয়ে প্রবোধ পাল বসবাস করছেন।একজন কর্মকর্তা কিভাবে একসঙ্গে ৩ টি বাসা দখলে রাখতে পারেন এটা বিষ্ময়কর। খাদ্য বিভাগ জানা সত্বেও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধ সুবিধা দিচ্ছেন একজন দুর্নীতি পরায়ন কর্মকর্তাকে। সুত্র বলছে, কোয়ার্টার দখল ছাড়াও প্রবোধ পাল গুদামের খাদ্যশস্য দেখভালের নামে নিজেই হজম করে ফেলেন। তার গুদামে ঘাটতির বিষয়টি যাচাই বাছাই করলে যার সত্যতা ধরা পড়বে।

সুত্র বলছে, বিগত গম সংগ্রহ মৌসুমে এই কর্মকর্তা ব্যাপক অর্থবানিজ্য করে আলোচিত হয়েছিলেন। তখন তার অনিয়মের বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হলে তোপের মুখে পড়ে খাদ্য প্রশাসন। এক পর্যায়ে কেশবপুরের ইউএনওকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু অর্থের বিনিময়ে তিনি তদন্ত কমিটিকে ম্যানেজ করতে সাক্ষম হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বোরো সংগ্রহ উপলক্ষে প্রবোধ পাল ব্যাপক অর্থ বানিজ্য করে রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তিনি চাল সংগ্রহে টনপ্রতি সাড়ে ৩ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া মিলারদের কাছ থেকে প্রতি বস্তায় ১ কেজি চাল বেশি নিয়ে পরে বিশেষ ব্যবস্থায় বের করে নেয়া হয়েছে। অবশ্য উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে তিনি এ অনৈতিক কাজ করতে সাক্ষম হয়েছেন। ফলে মিলাররা নিম্নমানের চাল গুদামে সবরাহ করতে বাধ্য হয়েছে। কেশবপুর  গুদামের বোরো সংগ্রহকৃত চাল যাচাই করলে নিম্নমানের খাওয়ার অনুপোযোগির বিষয়টি ধরা পড়বে।

এ ব্যপারে যোগাযোগ করা হলে কেশবপুরের ওসিএলএসডি প্রবোধ পাল অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য কেশবপুর নবাগত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জনাব মনিরুজ্জামানের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা হোসেন বলেন অভিযোগের বিষয়টি সঠিক হলে তদন্ত কওে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..