× Banner
সর্বশেষ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

কোটি টাকার জাল রূপির মামলায় পাকিস্তানী নাগরিকের কারাদণ্ড

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)ঃ এক কোটি টাকার বেশি ভারতীয় জাল রূপি দখলে রাখার মামলায় পাকিস্তানী নাগরিক মোহাম্মাদ এমরানের ছয় বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামী ছয় বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডিত ইমরান পাকিস্তানের করাচির নাগরিক। তার পিতার নাম আব্দুল গাফফার। তার পাসপোর্ট নম্বর বি-জেড ১২২৫৩০৩।

রায় ঘোষণার সময় আসামীকে কারাগার থেকে ইমরানকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষনার পর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি কাতার এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর কিউআর ৬৩২ নম্বর ফ্লাইটে আসামি এমরান দোহা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক আসেন। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা তার গতিরোধ করেন। এ সময় তারা আসামীর লাগেজ স্ক্যানিং করে আশি লাখ ভারতীয় রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জব্দ করেন। পরে বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যায় আসামীর বহন করা রুপিগুলো জাল।

এ ঘটনায় পরদিন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ঢাকার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এসআই ইলিয়াছ মোল্যা ২০১৬ সালের ৪ ডিসেম্বর আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত চার্জশিটভূক্ত ৮ সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলা আসামীপক্ষে অ্যাডভোকেট তাহমীনা আক্তার হাশেমী পরিচালনা করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..