× Banner
সর্বশেষ
সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

পৃথিবীর বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার কিরজেইডা রডরিগুয়েজের মৃত্যুর আগে শেষ উপলব্ধি

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০

পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা আজ দুনিয়াতে নেই কিন্তু তাদের কথা গুলো বেঁচে আছে সবার মাঝে এবং বেঁচে থাকবে যতদিন পৃথিবী টিকে থাকবে । পৃথিবী বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার, ব্লগার, সেলিব্রেটি,লেখক ছিলেন তিনি। যার নাম ”কিরজেইডা রডরিগুয়েজ”। তিনি মাত্র ৪০ বছর বয়সে মারা যান। পৃথিবী আরও বিখ্যাত ব্যাক্তি স্টিভ জবস যেমন টেকনোলজির আইকন ছিলেন কিরজেইডা তেমনি ছিলেন ফ্যাশন দুনিয়ার আইকন। দুজনের শরীরেই ক্যান্সার ঘর বাঁধে, দুজনেরই অকাল মৃত্য হয় এবং দুজনেই প্রচুর ধনসম্পদ রেখে যান। স্টিভ জবসের মতো কিরজেইডা মৃত্যুর আগে জীবনটাকে গভীর ভাবে অনুভব করে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কিছু অমূল্য কথা বলেন।

ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার আগে লিখে যাওয়া একটি নোটঃ-

. পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ব্রান্ডের গাড়িটি আমার গ্যারাজে পড়ে আছে। কিন্তু আমাকে বসে থাকতে হয় হুইল চেয়ারে।
. সব রকমের ডিজাইনের কাপড়, জুতো, দামি জিনিসে আমার গৃহ ভরপুর। কিন্তু আমার শরীর ঢাকা থাকে হাসপাতালের দেয়া সামান্য একটা চাদরে।
. ব্যাংক ভর্তি আমার টাকা। কিন্তু সেই টাকা এখন আর আমার কোনো কাজে লাগে না।
. প্রাসাদের মতো আমার গৃহ কিন্তু আমি শুয়ে আছি হাসপাতালের টুইন সাইজের একটা বিছানায়।
. এক ফাইভ স্টার হোটেল থেকে আরেক ফাইভ স্টার হোটলে আমি ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু এখন আমার সময় কাটে হাসপাতালের এক পরীক্ষাগার থেকে আরেক পরীক্ষাগারে।
. শত শত মানুষকে আমি অটোগ্রাফ দিয়েছি- আর আজ ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশানটাই আমার অটোগ্রাফ।
.আমার চুলের সাজের জন্য সাতজন বিউটিশিয়ান ছিলো-আজ আমার মাথায় কোনো চুলই নেই।
. ব্যক্তিগত জেটে আমি যেখানে খুশী, সেখানেই উড়ে যেতে পারতাম। কিন্তু হাসপাতালের বারান্দায় যেতেও এখন আমার দুজন মানুষের সাহায্য নিতে হয়।
. পৃথিবীব্যাপী ভরপুর নানা খাবার থাকলেও দিনে দুটো পিল আর রাতে কয়েক ফোঁটা স্যালাইন আমার খাবার।
এই গৃহ, এই গাড়ী, এই জেট, এই আসবাবপত্র, এতো এতো ব্যাংক একাউন্ট, এতো সুনাম আর এতো খ্যাতি এগুলোর কোনো কিছুই আমার আর কোনো কাজে আসছে না। এগুলোর কোনো কিছুই আমাকে একটু আরাম দিতে পারছে না।
শুধু দিতে পারছে- প্রিয় কিছু মানুষের মুখ, আর তাদের স্পর্শ।”
মৃত্যুর চেয়ে চরম সত্যি আর কিছু নেই।

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..