× Banner
সর্বশেষ
হিরোশিমা দিবস: ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমার নির্মাণের নেপথ্যের বিস্ময়কর গল্প জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২০ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিক্রিয়া বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার

ডেস্ক

কানাডার প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন মার্ক কার্নি

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
কানাডার প্রধানমন্ত্রী

চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে জাস্টিন ট্রুডো পদত্যাগ করায় ৮৬ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক ব্যাংকার মার্ক কার্নি। তিনি জাস্টিন ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

রোববার প্রকাশিত সরকারি ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই খবর জানায়।  এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রায় ১ লাখ ৫২ হাজার লিবারেল পার্টির সদস্য ভোট দেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডকে পরাজিত করে সাবেক ব্যাংকার মার্ক কার্নি কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে জয়ী হয়েছেন।

কার্নি এমন এক সময়ে কানাডার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, যখন দেশটি দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং শিগগিরই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

৫৯ বছর বয়সী কার্নি দলের মোট ভোটের ৮৬ শতাংশ পেয়ে সাবেক অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডকে পরাজিত করেন।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এ কারণেই জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়া ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টিকে দ্রুত নতুন নেতা নির্বাচনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো লিবারেলদের উদ্দেশে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে বলেন, ভুল করবেন না, এটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণকারী মুহূর্ত। গণতন্ত্র নিশ্চিত কিছু নয়, স্বাধীনতাও নিশ্চিত নয়। এমনকি কানাডার অস্তিত্বও নিশ্চিত নয়।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ থেকে যখন কানাডার সামনে অস্তিত্বের সংকট ও অর্থনৈতিক সংকট আসছে, তখন জনগণ দেখিয়ে দিচ্ছে, তারা আসলে কী দিয়ে গড়া।

ট্রুডো পরে এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে আমি পদত্যাগ করছি। শুরুর সময়ে যেমন প্রত্যাশা আর কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করতাম, এখনো তেমনটাই করি।

তিনি আরও লেখেন, লিবারেল পার্টি ও দেশের জন্য তার প্রত্যাশা রয়েছে। কারণ কানাডার লাখ লাখ নাগরিক প্রতিদিন প্রমাণ করেন যে ভালো কিছু সবসময় সম্ভব।

অন্যদিকে রাজনীতিতে নবীন মার্ক কার্নির দাবি, তার দলের জনপ্রিয়তা ফেরাতে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা চালিয়ে যেতে তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..