× Banner
সর্বশেষ
দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিআইআরএস ও এনআরএস উদ্বোধন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌদির পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করতে চায় সরকার -প্রধানমন্ত্রী প্রগতিশীল ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা অপরিহার্য – পানি সম্পদ মন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কফিল আকামা নবায়ন না করলেও অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে নবায়নের সুযোগ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে – প্রধানমন্ত্রী ‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচি শুরু সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে

এসডিজি-১৬ অর্জনে সম্মিলিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টা চায় বাংলাদেশ -ইসরাফিল আলম এমপি

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:  শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ উন্নয়নের জন্য সর্বস্তরে ন্যায়বিচারের সুযোগ প্রদান এবং কার্যকর ও দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-১৬ বিষয়ে জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের সভায় এ আহ্বান জানান অভিবাসন ও উন্নয়ন বিষয়ক বাংলাদেশ সংসদীয় ককাসের চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল আলম এমপি।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) জাতিসংঘ অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন বলে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) এক বার্তায় জানানো হয়।

আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম এসডিজি -১৬ অর্জনের জন্য মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী ও শিশু নির্যাতন, যুব সমাজের বেকারত্ব, মানব পাচার, গন্তব্যদেশে অভিবাসীদের অপব্যবহার, জনগণের জোরপূর্বক স্থানচ্যুতি সহ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত উদ্যোগ ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিহ্নিত করা যেতে পারে। এককভাবে কোন দেশই এগুলো সমাধানে সফল হতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইসরাফিল আলম নাগরিকদের মধ্যে নৈরাজ্য ও বৈষম্য হ্রাস করে একটি সমন্বিত শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাজ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি স্মরণ করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

এ আইন প্রণেতা জাতিসংঘকে শান্তিপূর্ণ ও সুসংহত সমাজের জন্য সবার সক্রিয় এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ককাস প্রতিনিধি দলের সদস্য সাবেক এমপি মিজ মেহজাবিন খালেদ, ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ অফিসের ‘প্রকাশ’ প্রোগ্রামের শিরিন সুলতানা লিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) হলো ভবিষ্যত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত একগুচ্ছ লক্ষ্যমাত্রা। জাতিসংঘ লক্ষ্যগুলো প্রণয়ন করেছে এবং “টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা” হিসেবে লক্ষ্যগুলোকে প্রচার করেছে। এসব লক্ষ্য সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি)-কে প্রতিস্থাপন করেছে, যা ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ মেয়াাদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এসডিজি’র মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ১৯৩টি দেশ এসডিজি’র ১৭ লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ে একমত হয়েছে।

এর মধ্যে ১৬তম লক্ষ্যমাত্রাটি হলো, “শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান-টেকসই উন্নয়নের জন্য শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভু্ক্তিমূলক সমাজ তৈরি করা, সবার জন্য ন্যায়বিচারের সুযোগ প্রদান করা এবং সর্বস্তরে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..