ইউরোপ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়ার পুঁজিবাজার

অর্থনৈতিক ডেস্ক: শেয়ার বাজার সব দিক থেকে টালমাটাল অবস্থায় বিশ্ব অর্থনীতি। এ অবস্থায় মুদ্রার মানে কিংবা পণ্যের দামে স্থিতিশীলতা আনতে এবং শেয়ার বাজারের দরপতন ঠেকাতে এশিয়া, ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা আলাদা পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই শুরু হয়েছে বিশ্বের শেয়ার বাজারে সূচকের দরপতন। তবে এ মন্দাবস্থা কাটিয়ে গত সপ্তাহে বেশ ভালো অবস্থানে ছিলো ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়ার শেয়ার বাজার। কিন্তু শঙ্কার বিষয়, পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেও দরপতনের মুখে স্বর্ণসহ বিশ্বের মূল্যবান ধাতুগুলো।

দরপতন অব্যাহত রয়েছে জ্বালানি তেলেরও। বর্তমানে এক ব্যারেল জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে ৪৩ ডলার ৮৪ সেন্টে। সেই সাথে ডলারের মান শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কমেছে ইউরো এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় জ্বালানি তেলের বাজারে শিগগিরই স্থিতিশীলতা আসার প্রত্যাশা বিশেষজ্ঞদের।

লয়েডস ব্যাংকের অ্যাডাম চেস্টার বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম চলতি বছরের শেষ দিকে বাড়তে পারে। এ বছর না বাড়লেও ২০১৬ সালে অবশ্যই জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে।’

এদিকে, ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রেরও সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আর যদি তা হয়, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে আবারও অস্থিরতা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লয়েডস ব্যাংকের অ্যাডাম চেস্টার বলেন, ‘ব্রাজিল, এশিয়ার মত উন্নয়নশীল অর্থনীতির অঞ্চলগুলোর জন্য বিশ্ব প্রবৃদ্ধির বর্তমান পরিস্থিতি সত্যিই চিন্তার বিষয়। কারণ জ্বালানি তেল কিংবা নিত্যপণ্য সব কিছুর সরবরাহ প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। সরবরাহ না কমলে দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই।’

বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে ১ ট্রিলিয়ন ইউরোর প্রণোদনা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবি। তবে নিত্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা না আসলে চীন সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।